advertisement
আপনি পড়ছেন

দুই বছরের বেশি সময় ধরে করোনাভাইরাস বিশ্বের সব মানুষের ভাগ্যের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। দিন দিন নতুন ভ্যারিয়েন্ট জনজীবনকে করে তুলেছে আরো বিপর্যস্ত। সবশেষ ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়েছে বিদ্যুৎ গতিতে। তবে অধিকাংশ বিজ্ঞানীরা এটাকে আশীর্বাদ হিসেবেই দেখছেন।

gagandip kangগগনদ্বীপ কাং

ওমিক্রন আসার পর ডেল্টার তুলনায় অনেক বেশি সংক্রমিত হতে থাকে মানুষ। তবে ডেল্টার মতো ভয়াবহ হয়ে ওঠেনি এই ভ্যারিয়েন্ট। এমনকি আলফা বা বিটার মতোও ক্ষতি করতে পারেনি। সব দেখেশুনে ওমিক্রনের মধ্যে উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু পাচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা।

তারা বলছেন, ডেল্টা তো বটেই, করোনার আগের রূপগুলোর মতোও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি ওমিক্রন। আমাদের ভাগ্য ভালো ছিল বলেই ওমিক্রনের মতো রূপ তৈরি হয়েছে। তা না হলে বিপদ আরো বাড়তে পারতো।

omicron 4ওমিক্রন এসে বিশ্ববাসীর উপকারই হয়েছে

সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমসকে এক সাক্ষাৎকারে সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ গগনদীপ কাং বলেন, অনেকে ভেবেছিলেন, এটি ডেল্টার চেয়েও মারাত্মক আকার ধারণ করতে চলেছে। কারণ ব্যাপক মাত্রায় মিউটেশন হয়েছিল ভাইরাসটির। তাতে বোঝা যাচ্ছিল না, নতুন ভ্যারিয়েন্টটি ঠিক কতটা ক্ষতি করতে পারে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বুঝা গেছে, ওমিক্রন ডেল্টা বা অন্য রূপগুলোর তুলনায় কম ক্ষতিকর।

‘আমাদের ভাগ্যটা বরং ভালো’ মন্তব্য করে গগনদীপ কাং বলেন, করোনার এই ভ্যারিয়েন্ট যখন মানুষের রোগ প্রতিরোধ শক্তিকে ভাঙছে, ঠিক একই সময়ে মানুষের রোগ প্রতিরোধ শক্তি ভ্যারিয়েন্টটির সঙ্গে খাপও খাইয়ে নিচ্ছে। বেশিরভাগ সংক্রমণের ক্ষেত্রে সাধারণত এমনটি দেখা যায় না। সেই কারণে বলা হচ্ছে, ওমিক্রনের ক্ষেত্রে আমাদের ভাগ্য ভালো ছিল।

ভ্যারিয়েন্টটির প্রশংসা করে তিনি বলেন, মানুষের ভাগ্য ভালো ছিল বলেই ওমিক্রনের মতো একটি ভ্যারিয়েন্ট এসেছিল। তার জায়গায় করোনাভাইরাস মিউটেশন ঘটিয়ে অন্য কোনও রূপ নিলে সেটি মারাত্মক হয়ে উঠতেই পারত।