advertisement
আপনি পড়ছেন

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ম্যাক্রোনের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানা গেছে। কীভাবে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়া যায়, কীভাবে ইউক্রেনে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়, আজভোস্টালে রুশ বাহিনীর বিভৎসতা ইত্যাদি বিষয় দুই রাষ্ট্রনায়কের আলোচনায় উঠে আসে।

macron zelenskyম্যাক্রোন-জেলেনস্কি গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ

তাদের আলোচনায় ফ্রান্সের সামরিক সহযোগিতার বিষয়টিও উঠে আসে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিভাবে সিক্সথ প্যাকেজ বা রাশিয়ার বিরুদ্ধে তেল নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে পারে সে বিষয়েও তারা আলোচনা করেন। কৃষিপণ্য কীভাবে ইউক্রেন থেকে রপ্তানি করা যায় তা নিয়েও কথা বলেন দুজন।

যুক্তরাষ্ট্রপন্থী রেডিওকে জরিমানা

মস্কোর একটি আদালত যুক্তরাষ্ট্রপন্থী একটি রেডিও স্টেশন ‘রেডিও লিবার্টি’কে জরিমানা করেছে। নিষিদ্ধ কনটেন্ট ওয়েবসাইট থেকে মুছে না ফেলায় স্টেশনটিকে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৫৯ ডলার জরিমানা করা হয়। আরআইএ নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানায়।

রেডিও ফ্রি ইউরোপ নামেও পরিচিত স্টেশনটি। গত মার্চ মাসের শুরুতেই রাশিয়ার কর্মকর্তারা কিছু মিডিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করে। যার ধারাবাহিকতায় রেডিও স্টেশনটির ওয়েবসাইট তারা ব্লক করে দেয়।

আদালতের উদ্ধৃতি দিয়ে খবরে বলা হচ্ছে, ইউক্রেনে মিডিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াকে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যুদ্ধের বিষয়ে নিষিদ্ধ কনটেন্ট প্রচারের দায়ে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত জরিমানার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৫.৮ মিলিয়ন রুবল।

এখন পর্যন্ত রাশিয়া ১৫ শতাংশ সেনা হারিয়েছে?

ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিক জোসেফ বোরেল জানিয়েছেন, রাশিয়া যুদ্ধ না থামালে দেশটির সেনাবাহিনী আরও মারাত্মক ক্ষতির শিকার হবে। ইউক্রেনে যুদ্ধে নামার পর থেকে এখন পর্যন্ত রাশিয়া ১৫ শতাংশ সেনা হারিয়েছে। এ পর্যন্ত রুশ সেনা নিহতের যেসব তথ্য আমাদের হাতে এসেছে, তাতে রুশ বাহিনী আরও ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়বে। টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

ইইউর বৈদেশিক নীতিবিষয়ক প্রধান বোরেল বলছেন, রাশিয়া যুদ্ধের মাঠে কতদিন টিকে থাকতে পারবে- সে মূল্যায়নে যাচ্ছি না। তবে একথা সত্য রাশিয়া যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১৫ শতাংশ সেনা হারিয়েছে। কোনো দেশে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া সেনাদের মধ্যে এই ক্ষতি বিশ্বরেকর্ড। আর কোনো দেশের সেনাবাহিনী এতটা ক্ষতির শিকার হয়নি।