advertisement
আপনি পড়ছেন

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরুর পর থেকে নানা ‘বিপর্যয়কর ভুল’ করেই যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্রের সংকটে পড়ে এখন লেজার অস্ত্র ব্যবহার শুরু করেছে।

russia using prototype of new laserক্ষেপণাস্ত্র সংকটে রাশিয়া, লেজার অস্ত্র ব্যবহার

বুধবার রাতে কিয়েভ থেকে দেওয়া বক্তব্যে জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়ান বাহিনী বুধবারও ডিনিপ্রো ও মিকোলেভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

এদিকে ইউক্রেনে রাশিয়া লেজার অস্ত্র ব্যবহার করছে তা স্বীকার করেছেন দেশটির ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ইউরি বরিশভ। জাতীয় টেলিভিশনে তিনি বলেছেন, পুরোনো মডেলের লেজার অস্ত্রগুলো ইউক্রেনের যুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা ৫ কিলোমিটার দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস-এর বরাত দিয়ে খবরে বলা হচ্ছে, গতকাল মঙ্গলবার ওই ধরনের লেজার অস্ত্র দিয়ে একটি ড্রোনকে আঘাত করা হয় এবং মাত্র ৫ সেকেন্ডের মধ্যে ড্রোনটি পুড়ে যায়।

বরিশভ বলছেন, ব্যয়বহুল ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের পরিবর্তে নতুন জেনারেশনের লেজার অস্ত্র ব্যবহারপ রাশিয়া অনুমোদন দিতে পারে।

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে এর আগে জীবাণু অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও তুলেছিল ইউক্রেনসহ পশ্চিমা বিশ্ব। তবে মার্কিন শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ সম্প্রতি জানায়, রাশিয়া ইউক্রেনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করছে- এমন প্রমাণ তারা পায়নি। তবে পুতিনের হুমকিকে তারা গুরুতরভাবে নিয়েছে বলে জানান সিআইএ প্রধান উইলিয়ন জে বার্নস।

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রতিরোধে ইউক্রেনীয় বাহিনী পশ্চিমা বিশ্ব থেকে ব্যাপক অস্ত্র সরবরাহ পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে অর্থ অনুদানও পাচ্ছে দেশটি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তা তো রয়েছেই। ইউক্রেনীয় বাহিনীও রুশ সেনাদের ওপর হামলায় অনেক স্থানে সফল হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানা যাচ্ছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ হামলা শুরুর পর মনে হয়েছিল কিয়েভের পতন ঘটে যাবে শিগগিরই। তবে তা হয়নি। মূলত রাশিয়ার টার্গেট বন্দর শহরগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। তারই অংশ হিসেবে তারা বন্দর শহর মারিওপোলের দখল নিয়েছে।