advertisement
আপনি পড়ছেন

রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী প্রধানরা টেলিফোনে কথা বলেছেন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগুর সঙ্গে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্ট্রিনের ফোনালাপের ছয়দিনের মাথায় দুই দেশের শীর্ষ জেনারেলরা কথা বললেন। মার্কিন পক্ষ এ ফোনালাপের সূচনা করে।

russia army chief tlsdরাশিয়ার চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল ভ্যালেরি গেরাসিমভ

মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলি রাশিয়ার চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল ভ্যালেরি গেরামিসভের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। সামরিক বাহিনীর নেতৃবৃন্দ নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে কথা বলেছেন এবং দুই পক্ষের যোগাযোগের পথ খোলা রাখতে সম্মত হয়েছেন। অতীতের রীতি অনুযায়ী তাদের কথোপকথনের বিস্তারিত বিষয়াদি গোপন রাখা হবে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে বার্তা সংস্থা রিয়া জানিয়েছে, রাশিয়ার চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল ভ্যালেরি গেরাসিমভ ও মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলি টেলিফোন সংলাপে অংশ নিয়েছেন। তারা ইউক্রেনসহ দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে কথা বলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে ফোনালাপ শুরু করা হয়।

এর আগে গত সপ্তাহে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে টেলিফোনে কথা বলেন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর দুইপক্ষের প্রতিরক্ষা বিভাগের মধ্যে সেটা ছিল প্রথম যোগাযোগ।

রয়টার্স জানিয়েছে, ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের জন্য একটি হটলাইন চালু করেছে। ‘ডিকনফ্লিকশন হটলাইন’ নামের এ টেলিফোন সংযোগের এক প্রান্ত জার্মানির স্টুটগার্ট শহরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইউরোপীয় কমান্ডের সদর দপ্তরে অবস্থিত। ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সব বাহিনীর কমান্ডার এয়ারফোর্স জেনারেল টড ওয়াল্টারস এ লাইনটি দেখভাল করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাসেলসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন জেনারেল টড ওয়াল্টারস বলেন, জেনারেল মার্ক মিলি ও জেনারেল ভ্যালেরি গেরাসিমভের মধ্যে ফোনালাপ ইউক্রেন ইস্যুর কূটনৈতিক সমাধানের প্রয়াসকে এক ধাপ এগিয়ে নিবে বলে তিনি আশা করেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের এক বিশেষ সন্ধিক্ষণে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী প্রধানদের টেলিফোন সংলাপ অনুষ্ঠিত হলো। ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগর মারিওপোলে রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ওডেসা উপকূলের যেবারদোনেৎস্ক রুশ বাহিনীর পদানত হতে চলেছে। যেবারদোনেৎস্ক রাশিয়ার হস্তগত হলে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর প্রায় ১৬ হাজার সৈন্য রুশ বাহিনীর হাতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে।