advertisement
আপনি পড়ছেন

অস্ট্রেলিয়ায় সাধারণ নির্বাচনে আজ শনিবার ভোটগ্রহণ চলছে। দেশটির ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি ভোটার হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভের ১৫১ জন সদস্যকে নির্বাচিত করবেন। হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের সদস্যরা সিনেটকে নিয়ন্ত্রণ করবে। তারাই নির্ধারণ করবেন স্কট মরিসন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকবেন কি থাকবেন না। বিবিসি, টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

anthony albanese and scott morrisonঅস্ট্রেলিয়ায় নির্বাচন: কি ঘটতে যাচ্ছে মরিসনের ভাগ্যে

অস্ট্রেলিয়ান ইলেক্টোরাল কমিশনের মতে, প্রায় অর্ধেক ভোটার (সাত মিলিয়নেরও বেশি) আগাম ভোট দিয়েছেন। ভোটে লড়ছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ন্যাশনাল কোয়ালিশন। তাদের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্টনি অ্যালবানিজের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি। এছাড়াও রয়েছে, দ্য গ্রিনস, ইউনাইটেড অস্ট্রেলিয়া, ওয়ান নেশনের মতো দল।

৫৭ বছর বয়সী লেবার পার্টির নেতা অ্যালবেনিজ মরিসনকে ‘বিভাজনকারী’ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে তার থেকে ভোটারদের দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। দুটি প্রাক নির্বাচনে মরিসনের জোটের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে অ্যালবেনিজের লেবার পার্টি।

অ্যালবানিজ জলবায়ু পরিবর্তন, নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি ইত্যাদি ইস্যুতে জনগণকে পাশে টানতে চাইছেন। এছাড়া জাতীয় নীতি নির্ধারণে আদিবাসীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য গণভোট আয়োজনেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

অ্যালবেনিজ শনিবার মেলবোর্নে একটি ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় বলেন, স্বস্তি অনুভব করছি। জলবায়ু পরিবর্তনের নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। অ্যাডিলেডে বক্তৃতা দেওয়ার সময়ও অ্যালবেনিজ উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন।

অ্যালবেনিজ যদি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়, তাহলে তিনি হবেন একজন নন-অ্যাংলো বা সেল্টিক উপাধির প্রথম অস্ট্রেলিয়ান।

অপরদিকে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় দেওয়া বক্তৃতায় মরিসন স্বীকার করেছেন, জণগন তিনবছর দাবানল, খরা, বন্যা এবং করোনভাইরাস মহামারি সহ্য করে ক্লান্ত। সেই হতাশা তিনি বুঝতে পারছছেন। পুনরায় নির্বাচিত হলে পরিস্থিতি পরিবর্তনের অঙ্গীকার করেন তিনি।

শুক্রবার পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় প্রচারণা চালানোর সময় এক সাক্ষাত্কারে মরিসন তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যালবেনিজকে একটি ‘লুজ ইউনিট’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। মরিসন গর্ব করে বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বেকারত্বের হার এপ্রিলে ৪৮ বছরের সর্বনিম্ন ৩.৯ শতাংশে নেমে এসেছে। যা একটি ‘অসাধারণ অর্জন’।