advertisement
আপনি পড়ছেন

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান বলেছেন, মিত্রদের জন্য হুমকি, এমন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বা সংগঠনকে আমরা উপেক্ষা করতে পারবো না। কারণ বন্ধুত্ব বা জোটের চেতনার সাথে এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। গতকাল শনিবার ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিসটোর সাথে ফোনালাপে এরদোয়ান এমন মন্তব্য করেছেন। খবর আনাদোলু।

erdogan 10রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান

তুর্কি প্রেসিডেন্ট এ সময় আরো জানান, জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনগণের জন্য স্পষ্ট হুমকির বিরুদ্ধে বৈধ ও দৃঢ় অবস্থান আমাদের। যে কোনো প্রকার হুমকির বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য সম্মান ও সমর্থন প্রত্যাশা করা তুরস্কের স্বাভাবিক অধিকার।

দুই সরকারপ্রধানের সাথে আলাপচারিতার বিষয়ে তুরস্কের যোগাযোগ অধিদপ্তর জানায়, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে যোগদান প্রচেষ্টাই ছিল উভয়ের আলোচনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু।

sweden and finland natoন্যাটোতে যোগ দিতে মরিয়া ফিনল্যান্ড ও সুইডেন

গত বুধবার সুইডেন ও ফিনল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোতে যোগদানের জন্য আবেদন করেছে। ইউক্রেনের এমন একটি সিদ্ধান্তের কারণেই মূলত রাশিয়া দেশটিতে হামলা চালায়। এরপর অবশ্য ইউক্রেন বলেছে, তারা আপাতত ন্যাটোতে যোগ দিতে ইচ্ছুক নয়। সমস্যা হচ্ছে, যুদ্ধটা ইউক্রেনে হলেও মূল যুদ্ধ চলছে রাশিয়ার সাথে পশ্চিমা বিশ্বের। ফলে ইউক্রেনের যুদ্ধের শেষ সম্পর্কে কেউ পরিষ্কার করে কিছু বলতে পারছেন না।

এমতাবস্থায় রাশিয়ার প্রতিবেশী দেশ ফিনল্যান্ড ও সুইডেন ন্যাটোতে যোগ দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও জটিলতা আবারো বৃদ্ধি পায়। রাশিয়া এ ধরনের পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানায়। তবে এক্ষেত্রে রাশিয়া ছাড়াও বড় ধরনের আপত্তি জানায় তুরস্ক। এরদোয়ানের দেশ সরাসরি দেশ দুটিকে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এ দুটি দেশ সন্ত্রাসীদের গেস্টহাউস। এমনকি তাদের পার্লামেন্টেও সন্ত্রাসীরা আস্তানা গেড়েছে।

তুরস্কের আপত্তি উপেক্ষা করতে পারছে না ন্যাটো বা ন্যাটোতে যোগদান করতে আগ্রহী দেশ দুটি। কারণ ন্যাটোর নিয়মানুযায়ী, নতুন কোনো সদস্যকে জোটে নিতে হলে অবশ্যই সব সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন। এক্ষেত্রে তুরস্ক বলছে, যদি এ দুটি দেশ সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা বাতিল না করে এবং অভিযুক্ত গোষ্ঠীগুলোকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকার না করে তাহলে তুরস্ক কিছুতেই তাদের সমর্থন দেবে না।