advertisement
আপনি পড়ছেন

পাকিস্তানের লাহোরের একটি আদালত প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং তার ছেলে ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হামজা শাহবাজের গ্রেপ্তারপূর্ব জামিনের মেয়াদ ২৮ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো আদালতে হাজির হলে গতকাল শনিবার আদালত এ আদেশ দেন। খবর হিন্দুস্তানটাইমস।

shebaj khanআদালতে হাজির হন পাক প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো তিনি আদালতে হাজির হন। এর আগে দুই শুনানিতে তিনি হাজিরা থেকে অব্যাহতি নিয়েছিলেন।

আদালতের একজন কর্মকর্তা বলেন, বিশেষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ইজাজ আওয়ান তাদের জামিন চেয়ে করা আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। পরে অবশ্য তিনি তাদের দুজনের প্রাক-গ্রেপ্তার জামিন ২৮ মে পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত বাড়িয়েছেন। তবে ১৪ বিলিয়ন রুপির অর্থ পাচার মামলায় প্রধানমন্ত্রীর অন্য ছেলে শাহবাজ সুলেমানের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

shebaj khan and hamja শাহবাজ শরিফ এবং হামজা শাহবাজ

এই মামলার ব্যাপারে আদালতে শাহবাজ শরিফ বলেন, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) তার ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুই বছর ধরে মানি লন্ডারিং অভিযোগের তদন্ত চালিয়েছে। কিন্তু তারা এক টাকাও দুর্নীতি খুঁজে পায়নি। আমার বিরুদ্ধে সমস্ত মামলা রাজনৈতিক-এমন দাবি করে তিনি বলেন, পাঞ্জাব প্রদেশে ১০ বছর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কাজ করেছি কিন্তু কখনো বেতন নেইনি।

তিনি বলেন, আমার বেতন অন্তত এক কোটি রুপি হবে, তবে আমি সেগুলো নেইনি। বরং আমি আমার নিজের টাকা খরচ করে অফিসিয়াল ট্যুরে গিয়েছিলাম। আমি উন্নয়ন প্রকল্পে দেশের কোটি কোটি টাকা সাশ্রয় করেছি।

শাহবাজ শরিফ বলেন, মূলত মামলাগুলো করা হয়েছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সরকারের আমলে। ২০২০ সালের নভেম্বরে এফআইএ দ্বারা দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং অ্যান্টি মানি লন্ডারিং আইনের বিভিন্ন ধারার অধীনে শাহবাজ ও তার দুই ছেলে হামজা ও সুলেমানের বিরুদ্ধে মামলাগুলো করা হয়। গ্রেপ্তার এড়াতে সুলেমান গত তিন বছর ধরে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছিলেন।