advertisement
আপনি পড়ছেন

ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, পূর্ব ডনবাস অঞ্চলের চারটি শহরের লড়াইয়ে রাশিয়া তার সবশক্তি ব্যবহার করেছে। ডনবাসের পরিস্থিতি এখন খুব কঠিন। জেলেনস্কি মঙ্গলবার রাতে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে এসব কথা বলেন। টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

volodymyr zelenskyy 2022জেলেনস্কি

তিনি বলেন, ব্যবহারিকভাবে রাশিয়ান সেনাবাহিনী তার পূর্ণ শক্তি ইউক্রেনে ব্যবহার করেছে। তারা বিধ্বস্ত শহরগুলোতে মূলত ধ্বংস্তূপ রেখে গেছে। লিমান, পোপাসনা, সিভিয়ারোডোনেটস্ক ও স্লাভিয়ানস্ক শহরের সবকিছু ধ্বংস করতে চায় দখলদাররা।

জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী পাল্টা লড়াই করছে, কিন্তু সরঞ্জাম ও অস্ত্রের পরিমাণ কম থাকায় সুবিধা করতে পারছে না। যুদ্ধে আমাদের সেনা ও জনগণকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। ইউক্রেনীয়দের গর্বিত হওয়া উচিত, তারা রাশিয়াকে তিনমাস ধরে প্রতিরোধ করেছে। রুশ আক্রমণকে তারা ঠেকিয়ে দিচ্ছে। রাশিয়া এবং পশ্চিমা অনেক দেশই মনে করেছিল যুদ্ধ মাত্র তিনদিন স্থায়ী হবে।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়া। হামলার পরই বিশ্বনেতারা মনে করেছিলেন, পুতিন কিয়েভ দখল করে নিতে পারেন। এই আশঙ্কায় ইউক্রেন সরকারের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলো অর্থায়ন শুরু করে। তারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধ সরঞ্জাম ইউক্রেনে পাঠিয়ে দেয়, এখনও দিচ্ছে।

বিদেশি কোম্পানি বিল অনুমোদন রাশিয়ার

ইউক্রেনে হামলার পর রাশিয়া থেকে প্রত্যাহার করা বিদেশি কোম্পানিগুলোর নতুন ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে লোকবল নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হবে। রাশিয়ান পার্লামেন্ট এ ব্যাপারে একটি বিলের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস বলছে, নতুন এই আইন সংস্থাগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। মূলত অর্থনৈতিক কারণে নয় বরং ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রুশবিরোধী মনোভাবের কারণে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কোম্পানিগুলোর শেয়ার বিক্রি করার চিন্তাও করছে রাশিয়া।

অনেক বিদেশি কোম্পানি রাশিয়ায় কার্যক্রম স্থগিত করেছে। কোম্পানিগুলো বিপুল বিনিয়োগ সত্ত্বেও রাশিয়া ত্যাগ করে চলে গেছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে কোম্পানিগুলো রাশিয়ায় তাদের কার্যক্রম বন্ধ করেছে।