advertisement
আপনি পড়ছেন

পূর্ব ইউক্রেনের সেভেরোদোনেৎস্ক শহর পুরোপুরি রাশিয়ান সেনাবাহিনীর দখলে চলে গেছে। অবশিষ্ট শেষ দুর্গ লুহানস্ক অঞ্চলও রাশিয়ান বাহিনী দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। গতকাল শনিবার সেভেরোদোনেৎস্কের পুড়ে যাওয়া ধ্বংসাবশেষ এবং রাসায়নিক প্ল্যান্ট দখলে নেয় রুশ বাহিনী। এখানে শত শত ইউক্রেনীয় সৈন্য এবং বেসামরিক লোক আটকে আছে।

russia presses to control last stronghold of ukraine s luhanskপতনের মুখে শেষ শক্ত ঘাঁটি লুহানস্কও

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনাশেনকভ বলেছেন, রুশ ও মস্কো সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনী এখন সেভেরোদোনেৎস্ক এবং এর আশপাশের গ্রামগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর অ্যাজোট প্লান্ট ঘিরে প্রতিরোধের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

তবে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা ওলেক্সি আরেস্টোভিচ বলেছেন, ইউক্রেনের বিশেষ বাহিনীর কিছু সদস্য এখনও সেভেরোদোনেৎস্কে রয়েছে। তারা রাশিয়ানদের বিরুদ্ধে কামান ও গুলি চালাচ্ছে। এতে বেসামরিক লোকদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আরও ৫২৫ মিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাজ্য: ব্রিটেন বছরের শেষের দিকে ইউক্রেনকে বিশ্বব্যাংকের মাধ্যমে আরও ৫২৫ মিলিয়ন ডলারের গ্যারান্টি দিতে প্রস্তুত আছে। দেশটিতে এ বছর ব্রিটেনের মোট আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ১.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জার্মানিতে জি-৭ গ্রুপের বৈঠকের আগে এসব কথা বলেন।

জনসন এক বিবৃতিতে বলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেন জিততে পারে এবং জিতবে। তবে তা করতে আমাদের সমর্থন প্রয়োজন। এখন ইউক্রেনকে হারানোর সময় নয়।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়া। যুদ্ধের চার মাস পার হয়ে গেছে। তবে পূর্বাঞ্চল দখলে নেওয়ার পর রাশিয়া যুদ্ধে ক্ষ্যান্ত দিতে পারে বলে মনে হচ্ছে। ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টনটেলবার্গও এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি ভবিষ্যৎবাণী দিয়েছেন, আলোচনার টেবিলেই ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে।