advertisement
আপনি পড়ছেন

অস্বাভাবিক মুদ্রাস্ফীতি এবং তুর্কি লিরার ক্রমাগত দরপতনে অনেকটাই খাদের কিনারায় তুরস্কের অর্থনীতি। এমন পরিস্থিতি আগাম নির্বাচনের ডাক দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তবে দেশটির ভঙুর অর্থনীতির কারণে এরদোয়ানকে ক্ষমতা হারাতে হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

erdogan becoming the leader of muslim worldতুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান

পলিসি রিসার্স গ্রুপ জানিয়েছে- আমেরিকান ডলারের বিপরীতে তুর্কি লিরার ব্যাপক দরপতন ও মুদ্রাস্ফীতি ৭৩.৫ শতাংশে পৌঁছানোয় খাদ্য, চিকিৎসা, জ্বালানি এবং নিত্যপণ্যের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। সাধারণ তুর্কিরা জীবন-ব্যায় নির্বাহ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। নতুন করে লাখো মানুষ দারিদ্র হচ্ছেন।

২০১৯-২০ অর্থবছরে তুরস্কের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘সেভ লিরা’ নামক ক্যাম্পেইনের অধীনে ১২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিক্রি করে। যা লিরাকে শক্তিশালী করার পরিবর্তে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে রেকর্ড পরিমাণ কমিয়ে এনেছে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে দেশটির উত্তাল অর্থনীতিতে। এ ছাড়া মুদ্রাস্ফীতির হার কমাতে এবং অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বহুবার সুদের হার কমানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন এরদোয়ান।

অধিকন্তু, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইউক্রেনকে ড্রোন সরবরাহ করে কৌশলগত বড় মিত্র পুতিনের বিরাগভাজন হয়েছেন এরদোয়ান। আবার সুইডেন ও ফিনল্যান্ডকে ন্যাটোতে যোগদানে বাধা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোভুক্ত ইউরোপীয় দেশগুলোর চক্ষুশুলে পরিণত হয়েছেন তিনি।

যাইহোক, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে পিছিয়ে পড়া এরদোয়ান আগাম নির্বাচনের ডাক দিয়েছেন। আগামী বছর ওই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চরম অর্থনৈতিক সংকটে ভুগতে থাকা তুর্কি জনগণ কি সিদ্ধান্ত নেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।