advertisement
আপনি পড়ছেন

ব্রিটিশ একজন হজযাত্রী বলেছেন, এই বছরের হজ পালনকারী ১০ লাখ লোকের মধ্যে থাকতে পেরে আমি ‘খুব ধন্য’ বোধ করছি। শুকরিয়া। সৌদি আরবের জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আগামী ৮ জুলাই পবিত্র হজ পালিত হবে। খবর আরব নিউজ।

kaba sharif tawafকাবা শরিফে তাওয়াফরত হাজিরা, ফাইল ছবি

সারাহ রানা নামের ওই নারী কর্মজীবনে একজন ব্যবস্থাপনা পরামর্শক ও চার্টার্ড সার্ভেয়ার। তিনি এবারই প্রথমবারের মতো হজ করছেন। ফলে তিনি খুবই উৎফুল্ল। কিন্তু শারীরিক সমস্যা থাকায় তিনি তা নিয়ে চিন্তাও করছেন। গরম নিয়ে প্রায়ই সমস্যায় পড়তে হয় সারাহ রানাকে।

তিনি জানান, আবহাওয়া ৩০ ডিগ্রির ওপর ওঠলেই তার হাত-পা ফুলতে থাকে। সেখানে মক্কার স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি হতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি। ফলে পুরো জিনিসটিই তার জন্য কঠিন হয়ে উঠছে। তারপরও হজযাত্রায় শামিল হতে পেরে নিজেকে বিশেষ ও সম্মানিত বোধ করছেন।

safa and marwaসাফা-মারওয়ার সায়ী, ফাইল ছবি

সারাহ রানা বলেন, করোনা মহামারি চলাকালে হজে যাওয়ার কথা ভাবতে শুরু করি। তখন আরও বেশি করে কুরআন পড়া এবং নবী মুহাম্মদের (সা) জীবন সম্পর্কে জানতে শুরু করলাম।

শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন সারাহ। আগামীকাল শুক্রবার তার ফ্লাইট। বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের লোকেরা তাকে হজের নানা টিপস দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে তিনি বেশ ভালোভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

প্রস্তুতি নিয়ে সারাহ বলেন, হজের জন্য প্রয়োজনীয় পোশাক কিনেছি। তবে দেখতে পেলাম, যে জিনিসটি বেশি দামি, সেটা বেশি অস্বস্তিকর। তাই আমি শুধু আমার ব্যবহারিক জিনিসপত্র নিতে যাচ্ছি।

সারাহ বলছেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে মহান রাব্বুল আলামিন তার প্রয়োজনগুলো সম্পর্কে জানেন এবং তার জন্য যা ভালো তা তাকে দেবেন। তিনি তার সন্তানদের জন্য, তার আর্থিক বিষয়ের জন্য দুআ করবেন, যাতে তার বাকি জীবনটা ভালো কাটে।