advertisement
আপনি পড়ছেন

জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে আরব দেশগুলো সামরিক জোট করতে চায়, আমরা তা বিশ্বাস করি না। বরং আরব রাষ্ট্রগুলো ইরানের সাথে সুসম্পর্ক চায়। ইরানকে মোকাবেলায় ইরায়েলের সামরিক জোট গড়ার অভিপ্রায় প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, এ রকম কোনো আলোচনায় আমরা অংশ নেইনি, নেব না। খবর এমইএইচআর নিউজ।

jordan foreign minister ayman safadi 1জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি

জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আসন্ন সফরে এই অঞ্চলে ইসরায়েলের নেতৃত্বে সামরিক জোট গঠনের কোনো এজেন্ডা নেই। চলতি সপ্তাহে আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি মনে করেন, সামরিক জোটের বিষয়ে কোনো আলোচনা নেই, প্রস্তাবও নেই।

ফিলিস্তিন ইস্যু, সিরিয়া সংকট এবং পারস্য উপসাগরীয় নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে আল-সাফাদি বলেন, জর্ডান এমন ব্যবস্থার দাবি করে যা আমাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়। এবং তা হতে হবে সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে। সব আরব দেশ ইরানের সাথে সুসম্পর্ক চায়। সংলাপের মাধ্যমে সংকটের সমাধান করতে হবে।

জর্ডানের বাদশাহর সঙ্গে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ চলতি সপ্তাহে জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সঙ্গে দেখা করেছেন। জর্ডান প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে বলা হয়, বাদশাহ আবদুল্লাহ ও হারজগের মধ্যে বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় এবং আঞ্চলিক উভয় স্তরেই গভীর কৌশলগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা মূলত প্রতীকী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আগামী মাসে মধ্যপ্রাচ্য সফর করবেন। ইরানের হুমকি সম্পর্কে সাধারণ সতর্কতার ভিত্তিতে ইসরায়েল ও আরব দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে চান হারজগ। বৈঠকে জর্ডানের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ১৬ জুলাই আরব-মার্কিন শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে বাইডেনের। এই সফর ঘিরে যাতে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত না বাঁধে সেদিকে নজর দিচ্ছে আরব দেশগুলো।

ওই শীর্ষ সম্মেলনে জর্ডান, মিশর এবং ইরাকসহ উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের দেশগুলোর নেতারা অংশ নেবেন। আরব রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিশ্বাস করেন, বাইডেনের সফরে ফিলিস্তিনি-ইসরায়েল সংঘর্ষের হুমকি অনেক কমে গেছে। বাইডেনের সফর ঘিরে কঠোর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, শীর্ষ সম্মেলনে ফিলিস্তিন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে আমন্ত্রণ না করায় সম্মেলনে ফিলিস্তিন ইস্যুটি খুব বেশি মনোযোগ পাবে না। তবে আলোচনায় ফিলিস্তিন ইস্যুটি থাকা দরকার বলে তারা মনে করেন।