advertisement
আপনি পড়ছেন

চীনের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে জাপান প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানো এবং পূর্ব চীন সাগরের বিতর্কিত দ্বীপগুলোতে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা করছে। সম্প্রতি পূর্ব চীন সাগরের বিতর্কিত সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের চীনা জাহাজের অনুপ্রবেশের ঘটনায় জাপান ফের সমালোচনা করেছে চীনের।

flag china japanচীন-জাপানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে

জাপান কোস্ট গার্ডের বরাতে এনএইচকে ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার ভোরে দুটি চীনা জাহাজ তাদের ভূখণ্ডের জলসীমায় প্রবেশ করে। তারা ওই অঞ্চলে জাপানের একটি মাছ ধরার নৌকার কাছে যাওয়ার চেষ্টা করে। এর আগে ১৮ জুন চীনা জাহাজ জাপানের জলসীমায় প্রবেশ করে।

এ বছর এই নিয়ে ১১ বারের মতো চীনের জাহাজগুলো জাপানের আঞ্চলিক জলসীমায় প্রবেশ করেছে। ১৮ জুনের আগে ৯ মে বিতর্কিত সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের কাছে দুটি চীনা জাহাজ জাপানের আঞ্চলিক জলসীমায় প্রবেশ করে।

জাপান সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ নিয়ন্ত্রণ করে। দেশটির সরকার মনে করে, দ্বীপগুলো জাপানের ভূখণ্ডের অংশ। চীন ও তাইওয়ানও একই দাবি করে।

এশীয়ার অর্থনৈতিক শক্তিশালী উভয় দেশই সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের উপর নিজেদের দাবি বাড়িয়েছে। জাপান দ্বীপগুলোর ওপর তার সার্বভৌমত্বের দাবির ওপর জোর দিয়ে আসছে।

জাপান ১৮৯৫ সাল থেকে দ্বীপগুলোর ওপর তার সার্বভৌমত্বের দাবি করে আসছে। আর চীন ১৭৮৩ এবং ১৭৮৫ সালে দ্বীপগুলোকে নিজেদের অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করে। এই বিরোধ বৃদ্ধি পায় ২০১২ সালে, যখন জাপান সরকার পাঁচটি দ্বীপের মধ্যে তিনটি ব্যক্তিগত মালিকের কাছ থেকে কিনে নেয়।

গত মাসে টোকিওতে জাপান আয়োজিত কোয়াড সামিট একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক গড়ার লক্ষ্যে স্যাটেলাইটভিত্তিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা উদ্যোগ চালু করেছে। গত মে মাসে আয়োজিত ওই সামিটে হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানায়, সামুদ্রিক এই উদ্যোগের ফলে অবৈধ জাহাজ চলাচল এবং অন্যান্য কৌশলগত ক্রিয়াকলাপ শনাক্তের অনুমতি দেবে।