আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 57 মিনিট আগে

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতারা। এরমধ্যে এই অপরাধে কয়েকজনের ফাঁসি হয়েছে, কয়েকজন বিচারাধীন কয়েদি। এরমধ্যে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, আবদুস সুবহান ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম।

jamat logo

জামায়াতের একটি সূত্র জানায়, উল্লেখ্য জামায়াতের শীর্ষ এই তিন নেতা বর্তমানে দলটির প্রাথমিক সদস্য। চট্টগ্রামের এক মজলিশে শূরার এক সদস্য জানান, জামায়াতের কোন দায়িত্বশীল পদে নেই সাঈদী, আবদুস সুবহান ও এ টি এম আজহার। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি বা মার্চের প্রথম দিকে দলটি তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়।

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন আপিল বিভাগ। এছাড়াও সুবহানের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তবে সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন তিনি। মৃত্যুদণ্ডের রায় রয়েছে এ টি এম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধেও, আপিল করেছেন তিনিও।

গত ১৫ ও ১৬ মে জামায়াত নেতা সাঈদীর মুক্তি চেয়ে জামায়াতের আমির মকবুল আহমাদের গণমাধ্যমে পাঠানো বিভিন্ন বিবৃতিতে দেখা গেছে, সাঈদীর নামের আগে কোন ধরনের পদবী উল্লেখ না করে শুধুমাত্র শীর্ষ নেতা বলা হয়েছে। জানা গেছে, যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে জামায়াত অনেকটা বেকায়দায় পড়েছে। দণ্ডিত নেতাদের দলে ফেরার কোন সুযোগ নেই। গত বছরের অক্টোবর মাসে জামায়াতের নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেয়।

২০১০ সাল থেকে ভারপ্রাপ্ত আমিরের দায়িত্ব পালন করা মকবুল আহমাদ দলীয় রুকনদের ভোটে জামায়াতের আমির নির্বাচিত হন। পরে নভেম্বর মাসে সেক্রেটারি জেনারেল হন ডা. শফিকুর রহমান। সেই সময় নায়েবে আমির পদে নিয়োগ পান আবদুস সুবহান, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মুজিবুর রহমান, মিয়া গোলাম পরওয়ার, আতাউর রহমান এবং আ ন ম শামসুল ইসলাম।

জামায়াতের একজন নেতা বলেন, 'সাঈদী সাহেব দলের জন্য সবসময় গুরুত্বপূর্ণ। দেশে-বিদেশে ওনার অনেক ভক্ত রয়েছে। ভালো বক্তা হিসেবেও রয়েছে সুনাম। তারপরও চূড়ান্তভাবে অভিযুক্ত হওয়ায় তাকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।'

Add comment

Security code
Refresh