আপনি পড়ছেন

রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরুর করার পর দশ মাস পেরিয়ে গেছে। নতুন বছরে এ যুদ্ধ শেষ হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছিলেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এ যুদ্ধ থামার তেমন কোনো লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না। খবর আলজাজিরা।

3 main factor of ukraine warইউক্রেন যুদ্ধের মূল তিন কুশিলব

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে হামলা চালাতে শুরু করে রাশিয়া। ৪৪ সপ্তাহ পরে এসে নতুন বছর শুরুর প্রাক্কালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলছেন, তিনি এ সংঘাত বন্ধে আলোচনায় বসতে ইচ্ছুক। তবে সেটা তার অধিকৃত অঞ্চলগুলো ঠিক রেখেই। অন্যদিকে ইউক্রেন এ সংলাপের জন্য শর্ত দিয়েছে, সবার আগে ইউক্রেনের সমস্ত অংশ থেকে রাশিয়ার কর্তৃত্ব উঠিয়ে নিতে হবে। বলা বাহুল্য রাশিয়া এ শর্তে রাজি নয়। বরং হুমকি দিয়ে বলেছে, কিয়েভ মস্কোর শর্ত মেনে না নিলে আরও খারাপ পরিণতি হতে পারে।

গত সপ্তাহে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি হঠাৎ করেই যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে বৈঠক করেন। এর পরদিনই রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, আমাদের লক্ষ্য এ সামরিক সংঘাত অব্যাহত রাখা নয়, বরং আমরা এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চাই।

ukraine attack 1নতুন বছরেও যুদ্ধ শেষের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না

এর জবাবে মার্কিন হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, পুতিনের কথায় যুদ্ধ অবসানে বিন্দুমাত্র ইচ্ছা প্রকাশ পায়নি। বরং তিনি যা দাবি করেছেন, পরিস্থিতি আসলে তার পুরো বিপরীত। তিনি ইউক্রেনের জনগণের উপর সহিংসতা চালিয়ে যেতে এবং যুদ্ধকে আরও বাড়িয়ে তুলতে চান।

ক্রিসমাস ডে’র ভাষণে পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়া আলোচনার জন্য প্রস্তুত। কিন্তু দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ইউক্রেনকে রীতিমত হুমকি দিয়ে বসেছেন। কিয়েভকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমাদের দেওয়া অসামরিকীকরণ ও ডিনাজিফিকেশনের প্রস্তাবগুলো কিয়েভের মেনে নেওয়া উচিত। নইলে এ বিষয়ে আমাদের সেনাবাহিনীই সিদ্ধান্ত নেবে।

রাশিয়ার দেয়া প্রস্তাবগুলোর মধ্যে যে অসামরিকীকরণের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো দ্বারা মূলত রাশিয়া অধিকৃত ইউক্রেনীয় অঞ্চলগুলোকে বাফার জোন হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সেখানে ইউক্রেনের সেনাদের আত্মসমর্পণ এবং ন্যাটোতে ভবিষ্যতের সদস্যপদ ত্যাগ করাকে বোঝায়। অন্যদিকে ডিনাজিফিকেশন বলতে সাধারণত ইউক্রেনের বর্তমান সরকারের অপসারণকে বুঝিয়ে থাকে মস্কো।

লাভরভ বলেন, ইউক্রেনের নিরর্থক প্রতিরোধ মূলত যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা উৎসাহিত হয়েছিল। আর এটিই যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করে তুলছিল। সংঘাতের পেছনে রয়েছে ওয়াশিংটন। তারাই ইচ্ছে করলে যে কোনো মুহূর্তে এ নির্বোধ প্রতিরোধ বন্ধ করতে পারে।

Get the latest world news from our trusted sources. Our coverage spans across continents and covers politics, business, science, technology, health, and entertainment. Stay informed with breaking news, insightful analysis, and in-depth reporting on the issues that shape our world.

360-degree view of the world's latest news with our comprehensive coverage. From local stories to global events, we bring you the news you need to stay informed and engaged in today's fast-paced world.

Never miss a beat with our up-to-the-minute coverage of the world's latest news. Our team of expert journalists and analysts provides in-depth reporting and insightful commentary on the issues that matter most.