আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 36 মিনিট আগে

সাধারণ কম্পিউটারের চেয়ে কয়েকশ গুণ দ্রুত ও অঢেল জায়গা সম্পন্ন কম্পিউটারকেই ‘সুপার কম্পিউটার’ বলা হয়ে থাকে। কন্ট্রোল ডেটা কর্পোরেশনের ইঞ্জিনিয়ার সেমর ক্রে ১৯৬০ সালে প্রথম বিশ্বের বাজারে নিয়ে আসেন ‘সুপার কম্পিউটার’। এরপর দিনে দিনে বিপুল পরিবর্তন চলে এসেছে কম্পিউটারের জগতে। আবহাওয়া দফতর ও পারমাণবিক প্ল্যান্ট এর মতো গুরুত্বপূর্ণ ডেটা নির্ভর সংস্থার কার্যক্রমে ‘সুপার কম্পিউটার’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। চলুন এবার জেনে নেই সেরা পাঁচশ সুপার কম্পিউটারের তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী পাঁচটি ‘সুপার কম্পিউটার’ সম্পর্কে।

super computer

সেরা পাঁচশ সুপার কম্পিউটারের তালিকায় এখন পর্যন্ত চীনে তৈরি ‘সানওয়ে তাইহুলাইট’ ও ‘চিয়ানহি’ নামক সুপার কম্পিউটার দুটি রয়েছে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে। ‘সানওয়ে তাইহুলাইট’ সুপার কম্পিউটারটি ২০১৬ সালের জুলাই মাসে কম্পিউটার বাজারে আসে চীনের উসির ন্যাশনাল সুপার কম্পিউটিং সেন্টার এর তত্ত্বাবধানে। এই সুপার কম্পিউটারটি ২০ পেটা বাইট বা ২০ লক্ষ গেগাবাইট জায়গা সম্পন্ন, এর গতি ৯৩.০১ পেটা বাইট ফ্লপস। এই সুপার কম্পিউটারটি তৈরি করতে ২৭ কোটি ৩০ লক্ষ মার্কিন ডলার খরচ পড়েছে।

আর ২০১৩ সালে বাজারে আসা চীনের তৈরি সুপার কম্পিউটার ‘চিয়ানহি’ তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। গুয়াংঝোর ন্যাশনাল সুপার কম্পিউটার সেন্টার এর তত্ত্বাবধানে আসা এই সুপার কম্পিউটারটি তৈরিতে খরচ পড়েছে প্রায় ৩৯ কোটি মার্কিন ডলার। ১২.৪ পেটা বাইট বা ১২ লক্ষ ৪০ হাজার গেগাবাইট ডেটা ধারণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন ‘চিয়ানহি’ সুপার কম্পিউটারটির স্পিড প্রতি সেকেন্ডে ৩৩.৮৬ পেটা বাইট ফ্লপ।

৯ কোটি ৭০ লক্ষ মার্কিন ডলার খরচে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি সুপার কম্পিউটার ‘ক্রে টাইটান’ রয়েছে তালিকার তৃতীয় স্থানে। এই সুপার কম্পিউটারটিকে ব্যবহার করছে ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রোজেক্টের জন্য। এই সুপার কম্পিউটারটিতে চীনের তৈরি প্রথম দুটি সুপার কম্পিউটারের থেকে বেশি স্পেস রয়েছে। ৪০ পেটা বাইট বা ৪০ লক্ষ গেগা বাইট জায়গা সম্পন্ন ক্রে টাইটান কম্পিউটারটির স্পিড প্রতি সেকেন্ডে ১৭.৫৯ পেটা বাইট ফ্লপ।

আইবিএম সংস্থা ২০১২ সালে নিয়ে আসে ‘আইবিএম সিকোয়া’ নামক সুপার কম্পিউটারটি। প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১৬.৩২ পেটা বাইট ফ্লপ স্পীড সম্পন্ন এই সুপার কম্পিউটারটি রয়েছে তালিকার চতুর্থ স্থানে। বর্তমানে এই সুপার কম্পিউটারটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে রাখা রয়েছে।

২০১১ সালের জুন মাসে বাজারে আসা জাপানের তৈরি ‘ফুজিটসু কে’ বা ‘কে কম্পিউটার’ নামে পরিচিত সুপার কম্পিউটারটি রয়েছে তালিকার পঞ্চম স্থানে। এই সুপার কম্পিউটারটির ডেটা ট্রান্সফার স্পিড প্রতি সেকেন্ডে ১০.৫১ পেটা বাইট ফ্লপ।

Add comment

Security code
Refresh


advertisement