আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 55 মিনিট আগে

২০০৯ সালের ঘটনা। মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে মেসেজিংয়ের উন্নততর সেবা দিতে পথচলা শুরু করে হোয়াটসঅ্যাপ। ইয়াহুর সাবেক দুই কর্মী ব্রায়ান অ্যাক্টন ও জ্যান কউম এটি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৪ সালে প্রায় দুই হাজার কোটি ডলার হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নেয় ফেসবুক। তখনও হোয়াটসঅ্যাপের সঙ্গেই ছিলেন এর প্রতিষ্ঠাতারা। কিন্তু এখন তাতে ভাঙনের সুর। অ্যাক্টন এর মধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপ ছেড়ে গেছেন। এবার গেলেন জন কউম-ও।

whatsapp ceo left his company

ফেসবুকের কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়ার পরও হোয়াটসঅ্যাপের প্রতিষ্ঠাতারা তাদের কাজের স্বাধীনতা পাচ্ছিলেন। কিন্তু একটা পর্যায়ে গিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। সেই দ্বন্দ্বের জেরে অ্যাক্টন হোয়াটসঅ্যাপ ছেড়ে যান এবং ফেসবুক বিরোধী কর্মসূচি ‘ডিলিট ফেসবুক’ শুরু করেন।

এই ঘটনার পরও কউম ফেসবুকের অধীনে হোয়াটসঅ্যাপে ছিলেন। কিন্তু খুব বেশি দিন থাকা হলো না তার। হোয়াটসঅ্যাপ ছাড়ার সময় তিনি বলে গেছেন যে, ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপের তথ্য নিজেরা নিয়ে নিচ্ছে এবং এর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট দুর্বল করে দিচ্ছে।

হোয়াটসঅ্যাপ ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে কউম ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ‘প্রযুক্তির বাইরে যে সব কাজ করতে আমি পছন্দ করি, তার জন্য কিছু সময় দিতে চাই।’

তার এই পোস্টই মূলত নিশ্চিত করে যে ব্রায়ান অ্যাক্টনের পর তিনিও হোয়াটসঅ্যাপ ছেড়ে দিচ্ছেন। এর বাইরে ছেড়ে দেয়ার জন্য তিনি কোনো কারণের কথা প্রকাশ্যে উল্লেখ করেননি। ফেসবুকের তথ্য নেয়ার বা নিরাপত্তা দুর্বল করে দেয়ার যে কথা শোনা যাচ্ছে, তা কউমের এমন মন্তব্য, যেগুলো নানা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

এ দিকে, কউমের হোয়াটসঅ্যাপ ছাড়ার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন যে, এনক্রিপশন সংক্রান্ত অনেক কিছু তিনি কউমের কাছ থেকে শিখেছেন। জাকারবার্গ এ জন্য কউমের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন।

Add comment

Security code
Refresh