আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 48 মিনিট আগে

ক্রিকেটে এমন কাকতালিয় ঘটনাও ঘটতে পারে! ভারতের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতে কর্ণাটক ও হায়দরাবাদের মধ্যকার ম্যাচের গল্প শুনে অনেকেই হয়তো এমনটাই বলবেন। ম্যাচটিতে ২ রানের গণ্ডগোলের বিষয়টি বেশ আলোচনা ছড়াচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেটে।

ambati rayudu syed mushtaq ali trophy

বিশাখাপট্টনমে অনুষ্ঠিত কর্ণাটক ও হায়দরাবাদের ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রানের স্কোর গড়ে কর্ণাটক। কিন্তু হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে নামতে হয় ২০৬ রানের টার্গেটে! গণ্ডগোলের শুরু এখানেই।

কর্ণাটক ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের চতুর্থ বলটি বাউন্ডারিতে পাঠান ব্যাটসম্যান করুন নায়ার। তবে বাউন্ডারি দড়ি পেরিয়ে যায়নি বল। হায়দরাবাদের ফিল্ডার মেহেদী হাসান বল কুড়িয়ে ফেরত পাঠান। এরমধ্যেই ব্যাটসম্যানরা দৌড়ে দুই রান নেন। পরে ভিডিও রিপ্লেতে দেখা গেছে, বল ধরার সময় মেহেদীর পাঁ দড়ির ওপর ছিল! অর্থাৎ চার রান।

কিন্তু বিষয়টি খেয়াল করেননি মাঠ আম্পায়ার। তৃতীয় আম্পায়ারের সাহায্য নেওয়ার চিন্তাও করেননি তিনি। মজার ব্যাপার হলো ২ ব্যাটসম্যানও খেয়াল করেননি বিষয়টি। ফলে দৌড়ে নেওয়া ২ রানই যোগ করা হয় কর্ণাটকের স্কোরে। তবে ইনিংস শেষে ওই বলে বাউন্ডারি দাবি করে বসে কর্ণাটক। বাউন্ডারি ধরে বাড়তি ২ রান যোগ করেও দেওয়া হয়, অর্থাৎ কর্ণাটকের স্কোর দাঁড়ায় ২০৫।

syed mushtaq ali trophy1

হায়দরাবাদ আপত্তি তুললেও লাভ হয়নি। কাকতালিয় ব্যাপার শেষ পর্যন্ত কর্ণাটক ম্যাচটা জিতেছে সেই ২ রানের ব্যবধানেই! অর্থাৎ বাউন্ডারি ধরে ২ রান যোগ করা না হলে সুপার ওভারে গড়াতো ম্যাচটা।

২ রানের জয় নিশ্চিত হলে বিজয় উৎসবে মেতে উঠেন কর্ণাটক ক্রিকেটাররা। কিন্তু হায়দরাবাদ ক্রিকেটাররা সুপার ওভারের দাবিতে মাঠেই অবস্থান করেন। কিন্তু কোন লাভ হয়নি, জয় পেয়েছে কর্ণাটক। তবে ফলাফল না মানায় বড় ধরনের শাস্তি নেমে আসতে পারে হায়দরাবাদের কর্তৃপক্ষ ও ক্রিটেকারদের ওপর।

Add comment

Security code
Refresh