আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 51 মিনিট আগে

আঙুলের চোটটার বয়স হয়ে যাচ্ছে প্রায় এক বছর। এতো দিন ব্যথা নিয়েই ম্যাচের পর ম্যাচ খেলে গেছেন তিনি। ব্যথা যখন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে, তখন তাকে ব্যবহার করতে হয়েছে ব্যথানাশক ওষুধ। কিন্তু এভাবে আর কতো? সাকিব আল হাসান তাই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্তই নিয়ে ফেলেছেন এবং তা এশিয়া কাপের আগেই। কিন্তু বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান এশিয়া কাপে সাকিবকে ছাড়তে নারাজ।

bcb boss not agree to accept the leave for shakib

ওয়েস্ট ইন্ডিজে স্মরণীয় এক সিরিজ খেলার পর বৃহস্পতিবার সকালে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। বিমানবন্দরে নেমে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন সাকিব। এ সময় আঙুলের চোট থেকে মুক্তি পেতে এশিয়া কাপের আগেই অস্ত্রোপচারের ইচ্ছের কথা প্রকাশ করেন তিনি।

সাকিব বলেন, 'যতো দ্রুত সম্ভব আঙুলের অস্ত্রোপচার করে ফেলতে চাই। এ বিষয়ে ঠিক কী করা যায়, তা দেখেছেন আমাদের ফিজিও। আশা করি শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আমার মনে হয় না পুরো ফিট না হয়ে খেলা উচিত। হতে পারে এশিয়া কাপের আগেই অস্ত্রোপচার হয়ে যাবে।'

এশিয়া কাপ শুরু হবে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে। মানে মাত্র ছয় সপ্তাহ সময় বাকি আছে। আর সাকিব যদি দুই এক দিনের মধ্যে অস্ত্রোপচার করিয়ে ফেলেন, তারপরও তার সুস্থ হতে লেগে যাবে অন্তত ছয় সপ্তাহ। অর্থাৎ এখনই অস্ত্রোপচার করালে এশিয়া কাপটা সম্ভবত মিস করতে হবে তাকে।

এই পরিস্থিতিতে কিছুটা চিন্তিতই মনে হলো বোর্ড প্রধানকে। বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিসিবি প্রধান এ বিষয়ে বলেন, 'সাকিব আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে ওর অস্ত্রোপচার করাতে হবে। কারণ ব্যাটিংয়ের সময় হাতে যে শক্তি দরকার, সেটা সে পাচ্ছে না। তাকে ইনজেকশন নিয়ে খেলতে হচ্ছে। অস্ত্রোপচার করালে সুস্থ হতে লাগবে অন্তত ছয় সপ্তাহ। এই পরিস্থিতিতে এতো সময় পাওয়া কঠিন। এখন চেষ্টা করা হচ্ছে কোনো বিরতির মধ্যে এই কাজটা করা যায় কিনা। সে রকম সময় পাওয়া না গেলে ওকে খেলাই বাদ দিতে হবে; যেটা আমরা চিন্তাই করতে পারছি না।'

তাহলে ঠিক কবে অস্ত্রোপচারের সুযোগ পাবেন সাকিব; নাজমুল হাসান বলেন, 'এশিয়া কাপের আগে হতে পারে; কিংবা পরে জিম্বাবুয়ে সিরিজের সময় হতে পারে। ও বলেছে এশিয়া কাপের কতা। আমি বলেছি এশিয়া কাপের চেয়ে ভালো হয় যদি আমরা জিম্বাবুয়ে সিরিজের সময় কাজটা করি। আমার মনে হয় সেটাই ভালো হবে। কারণ এশিয়া কাপ এমনিতেই এবার কঠিন হবে, তার উপর সাকিবের মতো একজন ক্রিকেটার না থাকলে দলের দৃঢ়তাও কমে যেতে পারে।'

Add comment

Security code
Refresh