আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 06 মিনিট আগে

আইসল্যান্ডে এখন চলছে বিটকয়েন খোঁজার হিড়িক। নবায়নযোগ্য উৎসের ওপর শতভাগ নির্ভরশীল দেশটিতে এজন্য বড় বড় ডাটা সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এক বছর আবাসিক বিদ্যুৎ চাহিদার চেয়েও বেশি বিদ্যুৎ খরচ হবে এই প্রকল্পে।

bitcoin getty iceland

সে দেশের জ্বালানি কোম্পানি এইচএস ওরকার মুখপাত্র জানিয়েছেন, এখনো অনেকে নতুন করে ডাটা সেন্টার স্থাপনের দিকে ঝুঁকছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তা চালানোর মতো বিদ্যুতের উৎপাদন আমাদের দেশের নেই।

মাত্র তিন লাখ ৪০ হাজার জনসংখ্যার দ্বীপ রাষ্ট্র আইসল্যান্ডে সম্প্রতি নতুন ডাটা সেন্টার স্থাপনের হিড়িক পড়েছে। পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহার করার বিষয়টি দেখানোর জন্য কোম্পানিগুলো এসব ডাটা সেন্টার স্থাপন করছে।

বিটকয়েন মাইনিং হচ্ছে- বিশ্বজুড়ে থাকা বিটকয়েন নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ক্রিপ্টো কারেন্সির লেন-দেন যাচাই করা। যেসব কম্পিউটার এই কাজটি করে থাকে, এর বিনিময় হিসেবে সামান্য পরিমাণে বিটকয়েন পুরস্কার দেয়া হয়। তবে কাজটি বিশাল আকারে করতে পারলে তা বেশ লাভজনক।

আইসল্যান্ডে এখন এই ক্রিপ্টো কারেন্সির লেন-দেন যাচাই ব্যবসার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ডাটা সেন্টার স্থাপন। এর জন্য বেড়েছে বিদ্যুৎ খরচ।

দেশটি অনুমান করছে, চলতি বছর বিটকয়েন প্রকল্পের পেছনে বিদ্যুৎ খরচ হবে প্রায় ৮শ ৪০ গিগাওয়াট ঘন্টা। অথচ এই সময়ে সব বাড়িতে মাত্র ৭শ গিগাওয়াট ঘন্টা বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে।

এইচএস ওরকার মুখপাত্র জানান, যতগুলো ডাটা সেন্টার স্থাপিত হয়েছে তার সবগুলোতে বিদ্যুৎ দেয়াই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তারপরও ডাটা সেন্টার স্থাপনে আগ্রহীরা এখনো প্রচুর কল দিচ্ছেন।

আইসল্যান্ডে মুনলাইট প্রজেক্ট নামে বিশাল ডাটা সেন্টার স্থাপনকে ঘিরে ক্রিপ্টো কারেন্সি মাইনিং ব্যবসা ইদানিং ব্যাপক চাঙ্গা হয়েছে। প্রকল্পটি চলতি বছরের শেষ নাগাদ চালু হবে। তবে এর দ্বারা দেশটির কী লাভ হবে তা নিয়ে অনেকের প্রশ্ন রয়েছে।

Add comment

Security code
Refresh