আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 15 মিনিট আগে

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ভিডিও বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে এক যুবক নির্মমভাবে এক তরুণীকে পেটাতে দেখা যায়। নির্যাতনের এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনা চলছে ভারতে। এ ভিডিও দেখার পর বিয়ে ভেঙ্গে দিয়েছেন ওই তরুণের বাগদত্তা। 

woman beaten up india

নয়া দিল্লির এক অফিসের এই ঘটনাকে 'অসৌজন্যমূলক' উল্লেখ করে শুক্রবার মুখ খোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। মন্ত্রী বলেন, 'আমি ভিডিওটি দেখেছি এবং দিল্লি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। তাকে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।'

এরপরই রোহিত শিং তমার নামে ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রোহিত দিল্লি পুলিশের এক কর্মকর্তার ছেলে এবং সে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করে বলে পুলিশের বরাতে জানিয়েছে এনডিটিভি।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, ছেলেটি মেয়েটিকে চুলের মুঠি ধরে মারছে, ঘুরিয়ে মেঝেতে ফেলে দিচ্ছে, কিল-ঘুষি মারছে, সঙ্গে গালাগালিও দিচ্ছে। এ সময় আরেকজন ভিডিওটি ধারণ করে, যাকে রোহিতের বন্ধু বলেই মনে হয়েছে। তাকে রোহিতের নাম ধরে 'রোহিত, থাম! যথেষ্ট হয়েছে' বলতে শোনা যায়। ভিডিওটিতে মেয়েটিকে লাথি পর্যন্ত মারতে দেখা গেছে। কিন্তু থামানোর জন্য কাউকেই এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি। এরপর ছেলেটি সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

ভিডিও ফুটেজটি গত ২ সেপ্টেম্বর দিল্লির উত্তম নগরের একটি বেসরকারি অফিসে ধারণ করা হয় বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। পরে তা টুইটারে ব্যাপকভাবে শেয়ার হয়েছে।

এদিকে রোহিতের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী অন্য মেয়েটি নিজেকে রোহিতের বাগদত্তা হিসেবে দাবি করে পুলিশকে জানায়, ভিডিওটিতে তার বাগদত্তা (রোহিত) একটি মেয়েকে মারতে দেখে সে বিয়ে ভেঙ্গে দিয়েছে।

এ ঘটনায় শুক্রবার নির্যাতিত মেয়েটি থানায় এসে রোহিতের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছে উল্লেখ করে পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন রোহিত তার এক বন্ধুর অফিসে ডেকে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। পরে সে এ বিষয়ে পুলিশকে জানাবে বলে হুমকি দিলে রোহিত তাকে শারীরিক নির্যাতন করে। যাতে সে মারাত্মক আহত হয়।

Add comment

Security code
Refresh