আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 27 মিনিট আগে

নাকে সর্দির সাথে সুড়সুড়ি এলার্জির অন্যতম লক্ষণ। ঘন ঘন এই সমস্যা দেখা দিলে রোগীর অনেক ক্ষতি হয়। এক্ষেত্রে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। সময়মতো সঠিক চিকিৎসার অভাবে হতে পারে হাঁপানির মতো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাও। গবেষণায় দেখা গেছে, নাকের এলার্জি থেকে শতকরা ২৫ ভাগ রোগীর হাঁপানি দেখা দিয়েছে। এ থেকে নাকের পলিপ, সাইনোসাইটিস, চোখের কনজাংটিভাইটিসও দেখা দিতে পারে।

nose allergy2

সর্দি, নাকে ও গলায় চুলকানি, হাঁচি, কাশি, ত্বকের সমস্যা এলার্জির প্রধান লক্ষণ। ফুলের রেনু, ধুলাবালি, পশুর লোম, কসমেটিকস, ক্যামিকেল, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, খাদ্য, গাড়ির ধোঁয়া, শিল্প কারখানার নানা উপাদান ত্বকের সংস্পর্শে এলে এলার্জি দেখা দেয়। সঠিক চিকিৎসা না হলে এলার্জির কারণে ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে পারে। রক্ত, প্রস্রাব, রক্তের সুগার, মলের রুটিন পরীক্ষার মাধ্যমে নাকের এলার্জি শনাক্ত করা হয়।

এলার্জি দূর করার প্রধান ও সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে, কোন কোন ক্ষেত্রে রোগীর এলার্জি হয় তা খুঁজে বের করা ও এড়িয়ে চলা। যেমন কারো খাবারে, কারো ধুলাবালিতে আবার কারো ক্ষেত্রে ফুলের রেনু বা গন্ধেও এলার্জি হতে পারে। সচেতনতার সাথে সেইসব বিষয়গুলো এড়িয়ে চলতে হবে।

nose allergy

এই রোগের চিকিৎসায় পূর্বের ইতিহাস জেনে ওষুধ প্রদান করা জরুরি। অনেক সময় ভ্যাকসিনের মাধ্যমেও করা হয়। আগে মনে করা হতো এলার্জি ভালোই হয় না। তবে এখন চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় ভালো হচ্ছে এলার্জি। তবে জরুরি হচ্ছে ভুল চিকিৎসায় যেন রোগীর ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা। নিজের ইচ্ছামতো বা ফার্মেসি থেকে ওষুধ সেবনে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। তাই সাবধানতা অবলম্বন করে সুচিকিৎসা জরুরি।

Add comment

Security code
Refresh