advertisement
আপনি দেখছেন

আশির দশকে ক্ষমতায় থাকা কালে উপহারের নামে অর্থ আত্মসাত করেছিলেন এমন অভিযোগ ছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রাপ্ত তিন বছরের সাজা থেকে এইচ এম এরশাদকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

ershad ex president

৯ মে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি রুহুল কুদ্দুছ ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর হাইকোর্ট বেঞ্চ সকাল ১১টা থেকে রায় পড়তে শুরু করেন। রায় পড়া শেষে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে এক কোটি ৯০ লাখ ৮১ হাজার ৫৬৫ টাকা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ছিল।

মামলা থেকে জানা যায়, ১৯৮৩ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এরশাদ রাষ্ট্রপতি হিসেবে ক্ষমতায় থাকাকালে প্রাপ্ত উপহার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেননি। পরে ১৯৯১ সালের ৮ জানুয়ারি তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর উপ-পরিচালক সালেহ উদ্দিন আহমেদ এরশাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, 'অর্থ আত্মসাতের এই মামলায় ১৯৯২ সালে এরশাদের তিন বছরের সাজা হয়। বিভিন্ন ধাপের পর গত ১২ এপ্রিল মামলার শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ৯ মে দিন নির্ধারণ করেন আদালত। রায়ে খালাস পান এইচ এম এরশাদ।'

২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর দুর্নীতি মামলায় সাজার বিরুদ্ধে এইচ এম এরশাদের আপিলের শুনানি শুরু হয়। পরে দুই যুগ পর এরশাদের বিরুদ্ধে দেয়া এই সাজার বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন। এই মামলায় ১৯৯২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত এরশাদকে তিন বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। পরে আজ আপিলের শুনানিতে খালাস পান এরশাদ।