advertisement
আপনি দেখছেন

২০১৫ সালের ২১শে এপ্রিল রাজধানীর বাংলামটরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা চালিয়ে আলোচনায় আসেন ঢাকা কলেজের ছাত্রলীগ নেতা সালেহ আহমেদ হৃদয়। সেই হামলার ঘটনায় বিএনপির দায়েরকৃত মামলায় ১ নম্বর আসামি ছিলেন তিনি। বর্তমানে সন্ত্রাসী হামলার কবলে পড়ে সেই হৃদয় রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

saleh ahmed hridoy injured

আজ শুক্রবার হৃদয় বলেন, 'বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের নেতৃত্বে রাজপথে কালো পতাকা নিয়ে খালেদা জিয়ার প্রচারণা বন্ধ করেছিলাম। সেই ঘটনার জের ধরে আমার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত ৪ মে ২০১৭ বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর ২৫/৩০ জন ছাত্রদলের গুণ্ডা আমার ওপর হামলা চালায়।'

ছাত্রলীগের এই নেতা বর্তমানে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। জানা গেছে, ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোটরসাইকেলে বাসায় ফেরার পথে কল্যাণপুর নতুন বাজারের রাস্তায় ২৫/৩০ জন যুবক হৃদয়কে আটকিয়ে বেধরক মারধর করেন। এ সময় গুরুতর আহত হন হৃদয়।

হৃদয় বলেন, 'সেদিন আমাকে রাস্তায় সন্ত্রাসীরা ঘিরে ফেলে। কিছু বুঝার আগেই তারা পিস্তল ও দেশী অস্ত্র দিয়ে আমার উপর হামলা চালায়। হামলার পর আমাকে মেরে ফেলার জন্য পাশের একটি নির্মাণাধীন বাড়িতে নিয়ে এলোপাথারীভাবে রড, রামদা, হকস্টিক দিয়ে আঘাত করে। এক পর্যায়ে হৃদয়ের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করান।

বর্তমানে হৃদয়ের শারীরিক অবস্থা কিছুটা ভালো। এই ঘটনায় আজ শুক্রবার কল্যানপুর থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে হৃদয় জানান। প্রসঙ্গত, হৃদয় ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বর্তমানে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সেন্ট্রাল ছাত্রলীগের সদস্য। তিনি তার চিকিৎসাসহ সার্বিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।