advertisement
আপনি দেখছেন

বাংলাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক শুরু হয়েছে সেই ১৯৭৫ সালে। তখন থেকে এ দুই দেশের সম্পর্ক কখনো অবনতি হয়নি। বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা, বাণিজ্য, সামরিক ও শিক্ষা খাতে পারস্পারিক সহযোগিতাও বরবরই উচ্চ পর্যায়ের। এবার সেই সম্পর্ক আরও বাড়াতে স্যামসাং ও এলজির মত ১৫০টি কোম্পানিকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে বলা হয়েছে।

flag bangladesh and south korea

বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশে ৩ হাজার পন্য কোনো রকম ট্যাক্স ছাড়াই প্রবেশ করাতে পারে। বাংলাদেশও পণ্য ও শ্রমিক রপ্তানিতে অগ্রাধিকার পায়। দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশে পাওয়া সুযোগ বরাবরই কাজে লাগিয়েছে। ইদানিং বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি দেখে তারা নতুন করে বিনিয়োগের চিন্তা করছে বলে জানা গেছে।

দেশটির ট্রেড-ইনভেস্টমেন্ট প্রোমোশন এজেন্সি বুধবার জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, প্রকৌশল, অবকাঠামো, খাদ্য-প্রক্রিয়াজাত এবং ইলেকট্রনিক্স খাতে নতুন করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

south korea

তারা বলছে, গত ছয় বছর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৬ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। তাতে বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে এগোচ্ছে এ জন্য কোরিয়ার বড় বড় কোম্পানি বিনিয়োগ করতে চায়।

স্যামসাং ও এলজির মত ১৫০টি কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে উল্লেখ করে কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (কেবিসিসিআই) মুখপত্র জং উন কিম বলেন, ‘আমাদের সরকার থেকেই ওই কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য বলা হয়েছে।’

দক্ষিণ কোরিয়ার ঢাকা মিশনের ডেপুটি চিপ ডং-জং লি বলেন, দুই দেশের মধ্যে যে ব্যবসায়িক দূরত্ব আছে সেটা কমাতে তাদের দেশ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কেবিসিসিআইয়ের নেতা সাহাব উদ্দিন খান জানান, কোরিয়া বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স পন্য, অটোমোবাইল মেশিনারিসহ বিভিন্ন খাতে যে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা আমাদের দেশের জন্য বিরাট সুযোগ।

তিনি বলেন, এলজি ও স্যামসাং তো ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের বাজার দখল করেছে। আরও আসছে কিআ, হুনদাই, সাংইয়ং মোটরসের মত বিশ্ববিখ্যাত কোরিয়ান কোম্পানি।

sheikh mujib 2020