advertisement
আপনি দেখছেন

রাজধানীতে দায়িত্বরত অধিকাংশ ট্রাফিক পুলিশ শ্বাসকষ্ট ও শ্রবণ সমস্যায় ভুগছেন। রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে প্রতিদিন শ্বাসকষ্ট, শ্রবণশক্তি ও হৃদরোগজনিত সমস্যা নিয়ে আসেন প্রায় দেড়শতাধিক ট্রাফিক পুলিশ। ট্রাফিকে কর্মরত পুলিশ সদস্যরা শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি ভূগছেন মানসিক সমস্যাতেও। সবমিলিয়ে মৃত্যুঝুঁকি নিয়েই তাদের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

bangladesh traffic police 2019

বিশেষজ্ঞরা জানান, শুধুমাত্র আধুনিক সড়ক এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাই এসব সমস্যা থেকে ‍মুক্তি দিতে পারে। শব্দ দূষণ থেকে বাঁচতে ট্রাফিক পুলিশদের ইয়ারপ্লাগ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

শুধু রাজধানীতেই সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ করছেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার পুলিশ সদস্য। মৃত্যুঝুঁকি নিয়েই তাদের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। রোদ-রৃষ্টি কিংবা শীত সবসময় বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। যার ধরুন শারীরিক নানা জটিল সমস্যায় ভূগছেন দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা।

রাজধানীতে দায়িত্বরত এক ট্রাফিক কর্মকর্তা বলেন, ‘গাড়ীর শব্দ শুনতে শুনতে এখন কানে কম শুনি। কেউ আস্তে কথা বললে শুনিনা। এজন্য দেখা যায় বাসায় উচ্চ শব্দে কথা বলতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি।’

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা ইসলাম শান্তা বলেন, ‘ট্রফিক পুলিশের অন্তত ১শ’ থেকে দেড়শ জন রোজ নানা জটিলতা নিয়ে এখানে আসেন। সপ্তাহে এই সংখ্যা ৫শ’ ছাড়িয়ে যায়।

নাক কান গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ট্রাফিকে কর্মরত বেশিরভাগ সদস্য উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস রোগে ভোগেন। রাতের বেলায় ঘুম কম হয়। তাদের ক্ষেত্রে আমার পরামর্শ, দায়িত্ব পালনকালে ইয়ার মাফলার ব্যবহার করা।’

অন্যদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সমস্যা থেকে বাঁচতে চাইলে অবশ্যই ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করতে হবে।