advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 15 মিনিট আগে

বহুল আলোচিত ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রীর শরীরে আগুন ধরিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. সিরাজ-উদ-দৌলাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মেয়েটির পরিবারের অভিযোগ, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা করায় প্রতিশোধ হিসেবে শিক্ষার্থীর শরীরে আগুন লাগানো হয়েছে।

siraj feni madrasa teacher

রোববার মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ফেনীর অতিরিক্তি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পি কে এনামুল করিমের সভাপতিত্বে এক জরুরি সভায় বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে আজ সকালে ঘটনাটি তদন্ত করেন চট্রগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন ও ক্রাইম) আবুল ফয়েজ। তিনি জানান, অগ্নিদগ্ধের ঘটনাটি পূর্বে ঘটা কোন ঘটনার আত্মহত্যার চেষ্টা বা হত্যার চেষ্টা হতে পারে। এগুলো মাথায় রেখেই তদন্ত করা হচ্ছে।

তবে বহুল আলোচিত এই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদ্রাসার ইংরেজি শিক্ষক নুরুল আফসার ও আলিম পরীক্ষার্থী আরিফুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এখনো তাদের কাছ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক সামন্তলাল সেন জানান, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফেনীর ওই শিক্ষার্থীর সার্বিক দায়িত্ব নিয়েছেন। তার চিকিৎসাসহ সব ব্যবস্থা নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।'

প্রসঙ্গত, গত শনিবার আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় যান ওই শিক্ষার্থী। সেখানেই তাকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। এরপর থেকে শিক্ষার্থীর পরিবার দাবি করছে, পরীক্ষার হল থেকে বের হওয়ার পর বোরখা পরা চারজন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নেয়ার চাপ দেয়। পরে মামলা তুলতে ওই শিক্ষার্থী অস্বীকৃতি জানালে তারা আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। এর আগে গত ২৭ মার্চ যৌন হয়রানির অভিযোগে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে আটক করে পুলিশ। মামলাটি করেছিল শিক্ষার্থীর মা।

sheikh mujib 2020