advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 33 মিনিট আগে

মেডিকেল প্রতিবেদন জমা না দেয়ায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত পিছিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এই সময়ে মধ্যে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানতে মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন জমাদানের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত। আজ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

khaleda zia 1

খালেদা জিয়ার মেডিকেল প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য সময় চেয়ে আবেদন করে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘বিএনপি প্রধানের স্বাস্থ্য প্রতিবেদন এখনও প্রস্তুত হয়নি, এটি প্রস্তুত করার জন্য আরও সময় প্রয়োজন।’

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর আপিল বিভাগ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি পিছিয়ে ৫ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ। একই বেঞ্চ ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানতে মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন জমাদানের নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ১৪ নভেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে খারিজ হওয়া বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আবেদনটি দায়ের করেন।

গত ৩১ জুলাই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের সশ্রম দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দী আছেন বিএনপি প্রধান। অরফানেজের মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান তিনি। পরে হাইকোর্ট সাজার মেয়াদ বাড়িয়ে ১০ বছর করে। এ রায়ের বিরুদ্ধে তার আপিল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে।

গত ৬ অক্টোবর আদালতের আদেশে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়। ৮ নভেম্বর তাকে চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের অনুমোদনের পরে খালেদাকে বিএসএমএমইউ থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয় এবং নাইকো দুর্নীতি মামলায় পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারে একটি অস্থায়ী আদালতে হাজির করা হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বর্তমানে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ইউএনবি।

sheikh mujib 2020