advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 56 মিনিট আগে

খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে এজলাস কক্ষে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের করা হট্টগোলকে ‘নজিরবিহীন’ আখ্যা দিয়ে তাদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, বাড়াবাড়ির একটা সীমা আছে। আপিল বিভাগে এমনটা আর কখনোই দেখা যায়নি।

chief justice syed mahmud hossain

আজ ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’ দুর্নীতি মামলায় আটক বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার পরবর্তী জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আজ জামিন শুনানি হবার কথা থাকলেও মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্ট দাখিল না করায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ৬ সদস্যের আপিল বেঞ্চ আগামী ১২ই ডিসেম্বর শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করলে উভয়পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে বাকবিতন্ডা ও হট্টগোল শুরু হয়। খালেদার পক্ষের আইনজীবীরা এজলাস কক্ষে অবস্থান নিয়ে বারবার খালেদা জিয়ার জামিনের চাইতে থাকেন। তবে তাতে ভ্রুক্ষেপ করেননি প্রধান বিচারপতি।

এ নিয়ে দু’পক্ষের আইনজীবিদের মধ্যে হট্টগোল শুরু হলে এক পর্যায়ে সকাল ১০টার দিকে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে অন্যান্য বিচারপতিরা এজলাস কক্ষ ত্যাগ করেন।

দ্বিতীয়বারের মতো বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপেল বেঞ্চ আবার এজলাসে প্রবেশ করেন। এরপর অন্যান্য আইনজীবীরা এজলাসে প্রবেশ করলে আবারও হৈচৈ শুরু হয়।

এসময় প্রধান বিচারপতির সামনেই বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

দুপুর ১১টা ১৫ মিনিটে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা স্লোগান দিতে দিতে এজলাস কক্ষ ত্যাগ করেন। এর মিনিট পাঁচেক পরেই এজলাস ত্যাগ করেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ।

এজলাস ত্যাগের পর জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতারা খালেদা জিয়ার জামিনের দাবিতে আইনজীবী সমিতিতে খন্ড খন্ড মিছিল করেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ নভেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিতে তার স্বাস্থ্যগত পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আজকের মধ্যে (৫ ডিসেম্বর) জমা দেয়ার নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সেইসঙ্গে এদিন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি নেত্রীর জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করা হয়। কিন্তু আদালত খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানতে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন চাওয়া হলেও গতকাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিবেদন তৈরি করা সম্ভব হয়নি।

sheikh mujib 2020