advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 57 মিনিট আগে

কানাডা জানিয়েছে যে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সাহায্য করতে তারা মিয়ানমারের নেতৃবৃন্দ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ নিজেদের এখতিয়ারে থাকা সব ধরনের কৌশল ব্যবহারের পাশাপাশি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

canada bangladesh rohingya‘বাংলাদেশ-কানাডা রিলেশনস: প্রোগনোসিস ফর পার্টনারশিপ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার বেনোই প্রেফনটেইন

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার বেনোই প্রেফনটেইন রাজধানীর এক হোটেলে ‘বাংলাদেশ-কানাডা রিলেশনস: প্রোগনোসিস ফর পার্টনারশিপ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে আজ বলেন, ‘আমরা পুরোপুরি একমত যে এ সংকটের কারণ ও সমাধান রয়েছে মিয়ানমারে এবং এ জন্য সাহায্য করতে আমাদের এখতিয়ারে থাকা সব কৌশল ব্যবহার করছি।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখা পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব) মো. শহীদুল হক বাংলাদেশ-কানাডা সম্পর্ককে এক ঝামেলামুক্ত সম্পর্ক হিসেবে আখ্যায়িত করেন, যা সব ক্ষেত্রে বিকাশ লাভ করছে।

হাইকমিশনার প্রেফনটেইন বলেন, উদ্বাস্তুদের সাহায্য ও স্বাগত জানানোর দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে কানাডার এবং তাদের নাগরিকরা রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দারা কিসের মাঝে রয়েছেন সে বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের স্বাগত জানানো এবং তাদের জন্য সীমান্ত খুলে রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার যে অপরিসীম উদারতা দেখিয়েছে তা কানাডা উপলব্ধি করে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

হাইকমিশনার বলেন, এ সংকটে সাড়া দেয়া প্রথম দেশগুলোর একটি কানাডা এবং শীর্ষ মানবিক সহায়তাকারী হিসেবে তারা বহাল আছেন। ইউএনবি।

sheikh mujib 2020