advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 15 মিনিট আগে

রংপুরে দুই শিশু সন্তানসহ নিজের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে আব্দুর রাজ্জাক (৩৮) নামের এক স্বামীর বিরুদ্ধে। রোববার দুপুরে নগরীর ২৫ নং ওয়ার্ডের কামালকাছনা বীরভদ্র এলাকা থেকে ওই তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় নিহতের স্বামীকেও আটক করা হয়।

husband abdur rajjakনিহত আসফিয়া আক্তার রত্নার (৩২) স্বামী আব্দুর রাজ্জাক (৩৮)

নিহতরা হলেন- অন্তঃসত্ত্বা আসফিয়া আক্তার রত্না (৩২), তার এক বছর বয়সী ছেলে নিশাত ও তিন বছর বয়সী মেয়ে নেহা।

স্থানীয়রা জানান, বেলা ১১টার দিকে প্রতিবেশী এক নারী আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে গেলে তিনি ঘরের ভেতর দুই সন্তানসহ রত্নাকে মরে পড়ে থাকতে দেখেন। একই সঙ্গে আব্দুর রাজ্জাকের গলা ও হাতে রক্ত দেখতে পান। এ সময় ওই নারী চিৎকার দিলে অন্য প্রতিবেশীরাও ছুটে আসে।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহগুলো উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পাশাপাশি নিহতের স্বামী আব্দুর রাজ্জাককেও আটক করে।

নিহত রত্নার ভাই এস এম আব্দুর রশীদ বলেন, তার ভগ্নিপতি মাদকাসক্ত ছিল এবং টাকার জন্য তার বোনকে প্রায় সময়ই মারধর করতো। গত ছয় মাস আগেও অটোরিকশা কেনার জন্য তাকে ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

তিনি আরো দাবি করেন, এই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই রাজ্জাক তার স্ত্রী-সন্তানদের হত্যা করেছে। এ ঘটনায় রত্নার শ্বাশুড়ি এবং ননদও জড়িত থাকতে পারে। তাই তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) কাজী মুক্তাকী ইবনু মিনান বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে। এমনকি স্ত্রী-সন্তানদের হত্যার পর রাজ্জাক নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

sheikh mujib 2020