advertisement
আপনি দেখছেন

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) এক গবেষণায় জানা গেছে, উচ্চশিক্ষায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণিতে যারা ভালো ফল অর্জন করেছেন তাদের ২৮ থেকে সাড়ে ৩৪ শতাংশই বেকার। এই মেধাবীদের মধ্যে যারা চাকরি পান তাদের ৭৫ শতাংশেরই বেতন ৪০ হাজার টাকার কম।

gpa 5 students

বিআইডিএসের মহাপরিচালক কে এ এস মুরশিদ নতুন এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন। গবেষণায় উচ্চশিক্ষিত মেধাবীদের চাকরি, বেতন ও বেকারত্ব নিয়ে এমন হতাশার চিত্র উঠে এসেছে। সূত্র সময় টেলিভিশনের অনলাইন ভার্সন।

গবেষণা অনুযায়ী, শিক্ষিতদের এক-তৃতীয়াংশই বেকার। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী অনেকেই বেকার। আর মোটামুটি শিক্ষিতদের মধ্যে বেকার ৩৩ শতাংশ। অন্যদিকে এসএসসি, এইচএসসি, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রথম শ্রেণি প্রাপ্তদের মধ্যে বেকার সাড়ে ৩৪ শতাংশ।

স্নাতক পর্যায়ে মেধাবীদের বেকারত্বের হার অন্তত ২৮ শতাংশ। আর এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়াদের মধ্যে প্রতি তিনজনের একজন বেকার হয়ে বসে আছেন। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে জিপিএ-৫ পাওয়াদের অন্তত ৩১ শতাংশের বেশি বেকার।

সংস্থাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে গবেষণাটি করেছে। ছয় লাখ ১৮ হাজার ২৬২ জনকে ফেসবুক ও ইমেইলে প্রশ্ন পাঠানো হয়। এরমধ্যে ১৫ হাজার ২৫ জন উত্তর দিয়েছেন। তার ভিত্তিতেই গবেষণাটি করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীরা সবাই স্নাতকোত্তর, স্নাতক, উচ্চমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পাস।

বিআইডিএসের মহাপরিচালক কে এ এস মুরশিদ জানান, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা চাকরির বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অনেক সময় উচ্চ শিক্ষিতরা কম বেতন পান। আবার কারিগরি শিক্ষায় ভালো সুযোগ থাকলেও গুরুত্ব কম।