advertisement
আপনি দেখছেন

জাতির ভাগ্য নিয়ে যেন ভবিষ্যতে কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেজন্য সকলকে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

pm in kibশহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

তিনি বলেন, ‘মনে রাখতে হবে যে বাংলাদেশের মাটিতে মীর জাফর ও খন্দকার মোস্তাকের মতো বিশ্বাসঘাতকরা জন্মেছিলেন এবং যুগে যুগে ‘খুনী জিয়ার’ মতো মানুষ বারবার ক্ষমতায় আসতেই থাকবে। তাই বাংলাদেশের মানুষদের এবং তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্ব নিতে হবে যাতে করে ভবিষ্যতে জাতির ভাগ্য নিয়ে যেন কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে।’

শনিবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্মকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে (যাতে করে এ রকম বিশ্বাসঘাতকরা ও খুনীরা বাংলাদেশের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মনগড়া ইতিহাস এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল।’

guest in kibশহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় অতিথিরা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিন্ত কেউ সত্যকে মুছে ফেলতে পারে না, . . . আজকে বাংলাদেশ ও বিশ্বের মানুষের কাছে এটা প্রমাণিত। আজ, বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম প্রকৃত ইতিহাস জানার সুযোগ পাচ্ছে।’

১৯৭৮ সালের দুর্ভিক্ষকে মানুষের বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্ভিক্ষের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন তৎকালীন খাদ্য সচিব আবদুল মোমেন। যিনি পরে জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভার সদস্য হয়েছিলেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু, ড. আব্দুর রাজ্জাক, ওবায়দুল কাদের, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, ঢাকা উত্তর নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফী ও শহীদ আলতাফ মাহমুদের মেয়ে শাওন মাহমুদ।

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন সভাটি পরিচালনা করেন। ইউএনবি।

sheikh mujib 2020