advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 48 মিনিট আগে

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৬ মামলার অনুসন্ধানে নেমে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৫০ কোটি টাকার সম্পদের খোঁজ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব মামলায় আদালতের নির্দেশে ৩৬২ কোটির বেশি নগদ এবং ৭৮ কোটি টাকার বেশি সম্পদ টাকা অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

shamim khaled shamratবা থেকে সম্রাট, জিকে শামীম ও খালেদ

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পদের মধ্যে ৩৬৫ কোটির মালিক যুবলীগ নেতা ও 'টেন্ডার ডন' জি কে শামীমের। বিভিন্ন ব্যাংকে তার প্রায় ৩২৪ কোটি টাকা এবং স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে ৪১ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে।

এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার ৩৪ কোটি টাকার অর্থ-সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকে ৩১ কোটি টাকা এবং স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে প্রায় ৩ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে।

এই অভিযানে সবচেয়ে আলোচিত নাম ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। তবে এখন পর্যন্ত তার বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ৮৮ লাখ ৭৪ হাজার টাকা অবরুদ্ধ করা হয়েছে। তার আর কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়নি। গত ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৯৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।

এ বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ একটি গণমাধ্যমকে বলেছেন, মামলার অনুসন্ধান বা তদন্তের সময় অবৈধ সম্পদ অন্যত্র সরিয়ে ফেলা রোধে আদালতের মাধ্যমে ক্রোক বা ফ্রিজ করা হয়। অবৈধ সম্পদের মালিকদের এসব সম্পদ ভোগ করতে না দেয়ার নীতি আমরা বাস্তবায়নে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

দুদকের সন্ধান পাওয়া ৪৫০ কোটি টাকার অর্থ-সম্পদের মধ্যে জি কে শামীম ও খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার ৩৯৯ কোটি। আর সম্রাটসহ অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া বাকিদের সব মিলিয়ে অর্থ-সম্পদের পরিমাণ ৫১ কোটি।

চলতি বছরের গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হয়। এতে যুবলীগ নেতা জি কে শামীম, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, এনামুল হক আরমান ও জাকির হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক, রূপন ভূঁইয়া, অনলাইন ক্যাসিনোর সেলিম প্রধান, বিসিবির লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, কলাবাগান ক্লাবের শফিকুল আলম ফিরোজ, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান ও তারেকুজ্জামান রাজীব গ্রেপ্তার হন।

এছাড়া যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক আনিসুর রহমান, তার স্ত্রী সুমি রহমান ও কাউন্সিলর এ কে এম মমিনুল হক সাঈদসহ গ্রেপ্তারকৃতদের অবৈধ সম্পদের খোঁজে অভিযানের মধ্যেই মাঠে নামে দুদক।

sheikh mujib 2020