advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 15 মিনিট আগে

ছোট দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও বড় দুর্নীতিবাজরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে বলে মন্তব্য করেছেন গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন।

dr. kamal

বিজয় দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।

কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা যখন আমাদের স্বাধীনতার ৫০ বছর উদ্যাপন করতে যাচ্ছি, জনগণের অধিকার রক্ষা করতে এবং সমর্থন করতে সক্ষম হয়েছি, তখন দুর্নীতিবাজ, নির্বাচনে কারসাজি, কালোটাকা ভোটের অধিকারকে অস্বীকার করাসহ নেতিবাচক বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে খেয়াল রাখতে হবে। কালো টাকা ভোটের অধিকারকে অস্বীকার করে। ফলে জনগণ আইনের শাসন থেকে বঞ্চিত হয় এবং সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব হয় না। কারণ অর্থের প্রভাব অবাধ নির্বাচনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।’

তিনি আরও বলেন, প্রতিদিনই দুর্নীতির খবর আসে। কিন্তু দুর্নীতির জন্য নিম্ন স্তরের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উচ্চস্তরে যারা দুর্নীতি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবস্থা নেয়নি।

বিবৃতিতে প্রবীণ এই আইনজীবী বলেন, জাতীয় নেতাদের হত্যাকাণ্ড, সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টি এবং কালো টাকা ব্যবহারের মাধ্যমে রাজনীতি ও জনগণের প্রতিষ্ঠানগুলোকে কলুষিত করার মতো ঘটনার মতো নানা আঘাতের চেষ্টা সত্ত্বেও স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর পূর্ণ হতে চলেছে। তবে এ জাতি সংবিধানের মূল্যবোধ এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ধরে রাখতে লড়াই করেছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যে সংবিধান বঙ্গবন্ধু, সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দীন আহমদ এবং আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যান্য নেতাদের স্বাক্ষর বহন করে। অনেক বাধার চেষ্টা থাকলেও এখনো তা রয়েছে।’

কামাল হোসেন বলেন, নির্বাচনী গণতন্ত্র, জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা শাসন, ভোটাধিকার দ্বারা নির্বাচিত সংসদের জবাবদিহি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন যার মাধ্যমে সমস্ত নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকে, সেসব ব্যাপারে মানুষের ঐকমত্য রয়েছে। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে হলে জনগণের ঐক্য অপরিহার্য বলে জানান।

গণফোরাম সভাপতি আরো বলেন, এখন শপথ করা উচিত যে এই ত্রুটি-বিচ্যুতি, স্বেচ্ছাচারিতা এবং আইনের শাসনের অবহেলা আর থাকবে না এবং নিশ্চিত করতে হবে যে শাসনব্যবস্থা সংবিধান মেনে চলছে, নির্বাচনগুলো নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু এবং দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতামুক্ত হচ্ছে।

sheikh mujib 2020