advertisement
আপনি দেখছেন

বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিশ্বে বিরল বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার রাজধানীর রেডিসন হোটেলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার চার লেন মহাসড়ক উন্নয়নে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

obaidul kader 23

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুই দেশের ছিটমহল বিনিময় এত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে যে তা বিশ্বে বিরল অর্জন।

অনুষ্ঠানে আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে ভারতের আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত চার লেনের মহাসড়ক উন্নয়নে দুই দেশের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুসারে প্রথম ধাপের জন্য ৪৪ কোটি ও দ্বিতীয় ধাপের জন্য ৫৫ কোটিসহ মোট ৯৯ কোটি টাকার প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, এক্সিম ব্যাংকের ভারত শাখা এবং মহাসড়কটির নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ভারতের এফকন ইনফ্রাস্ট্রাকচার্স লিমিটেডের মধ্যে। এ সময় বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে আরো কিছু সমস্যা রয়েছে। সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে খুব শীঘ্রই সমাধান করা হবে। তাছাড়া উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে বোঝাপড়াও দারুণ। তাই সমস্যাগুলোর সমাধান করা আরো সহজ হবে।

ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি বলেন, বহির্বিশ্বে উন্নয়ন কার্যক্রমে বাংলাদেশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি সম্পৃক্ত ভারত। ইতোমধ্যে দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৪৬টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হওয়ার যে লক্ষ্য রয়েছে, তা অর্জনে ভারত সবসময় পাশে থাকবে।

জানা যায়, প্রথম ধাপে ৫৫৫.৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে সরাইল পর্যন্ত ১২ দশমিক ২১ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হবে। আর তা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯.১ কোটি টাকা। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপে ২৭ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হবে। ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৮৭৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। আর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ২৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।