advertisement
আপনি দেখছেন

চীন থেকে আসা এক শিক্ষার্থীকে গতকাল রোববার রাতে বরগুনা সদর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা থানার ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন।

student admitted to barguna hospital

তিনি বলেন, বরগুনা সদর ইউএনও’র কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি ওই শিক্ষার্থীকে তার বাড়ি থেকে রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন। তার বাড়ি জেলার সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের আমতলী গ্রামে।

ওই শিক্ষার্থীর বাবা সাংবাদিকদের বলেন, রোববার সকালে তার ছেলে বাড়িতে এসেছে। তাকে একটি বন্ধ ঘরে আটকিয়ে রাখা হয়েছিল।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক মো. সোহরাব উদ্দিন বলেন, ওই শিক্ষার্থীর গায়ে সামান্য জ্বর আছে। তবে তার শরীরে করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। তাকে আলাদা একটি কক্ষে রেখে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা তা এখনো নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না। পরীক্ষার জন্য প্রয়োজন হলে তাকে ঢাকা পাঠানো হবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া না গেলেও সিঙ্গাপুরে পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসী আক্রান্ত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তারা সবাই দেশটির সেলটার অ্যারোস্পেস হাইটস কনস্ট্রাকশন সাইটের কর্মী।

এছাড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে রংপুরে একাধিক চীন ফেরত শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হলেও তাদের কারো শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

সম্ভাব্য সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের পক্ষ থেকে নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে স্থল ও বিমানবন্দরে সতর্কতা এবং চীন থেকে কেউ আসতে চাইলে তার ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

এদিকে, চীনে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা আরো বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আরো ১০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৭৭৪ জনে।

রোববার শুধু হুবেই প্রদেশে আরো ১০০ জন মারা গেছে। এছাড়া হেনান প্রদেশে তিনজন এবং গুয়াংডং প্রদেশে দুইজন কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। পাশাপাশি নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছে আরো ২ হাজার ৪৮ জন। এ নিয়ে শুধু চীনে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৭০ হাজার ৫৪৮ জন।

চীনের বাইরে বিশ্বব্যাপী এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে ছয়জন মৃত্যুবরণ করেছে। এদের মধ্যে হংকংয়ে দুইজন, ফিলিপাইন, জাপান, ফ্রান্স ও তাইওয়ানে একজন করে মারা গেছে। এছাড়া আক্রান্ত হয়েছে ৭৭৮ জন।