advertisement
আপনি দেখছেন

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাসের আগুনে দগ্ধদের মধ্যে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. কিরন মিয়া (৪২) নামের একজন মারা যান। তার শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে জানান হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

fire in narayangonj

এর আগে সোমবার সকালে একই ঘটনায় তার মা নুরজাহান (৬০) মারা যান। তার শরীরের শতভাগই পুড়ে গিয়েছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া জানান, নারায়ণগঞ্জের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই পরিবারের আটজন দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। চিকিৎসাধীন আরো কয়েকজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

নিহতের স্বজন ইলিয়াস নামের এক ব্যক্তি গণমাধ্যমকে জানান, কিরনের মরদেহ হাসপাতাল থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। তার জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি চলছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাকিদের নিয়েও স্বজনরা চিন্তায় আছেন।

fire in narayangonj 1

উল্লেখ্য, সোমবার ভোর ৫টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সাহেব পাড়া এলাকার একটি পাঁচতলা ভবনের নিচ তলার বাসায় আগুন লেগে একই পরিবারের ৮ জন দগ্ধ হন। তাদের সবাইকে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজন মারা যান।

বাকি দগ্ধরা হলেন- মো. হিরন মিয়া (২৫), মো. আবুল হোসেন (২৫), মুক্তা (২০), মো. কাওছার (১৬), আপন (১০) ও লিমা (৩)। তারা সকলেই ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন গতকাল জানান, বাড়িটির নিচতলায় পরিবারটি ভাড়া থাকতো। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে রান্নার চুলা বন্ধ না করে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। ফলে চুলা থেকে গ্যাস বের হয়ে ঘরের ভেতরে জমে থাকে। ভোরে রান্না করতে গিয়ে গ্যাসের চুলায় আগুন ধরাতে গেলে জমে থাকা গ্যাসে আগুন ধরে যায়।