advertisement
আপনি দেখছেন

গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। সারা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর ঘোষণা দেয়ার পর বিদ্যুতের দাম আগের চেয়ে কমবে বলে আশা করা হলেও অবস্থাদৃষ্টে এর উল্টো প্রতিফল ঘটছে।

electric pic

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়াকে ‘যুক্তিহীন’ বলে অভিহিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আর ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষ নিজেদের ‘দিশেহারা’ বলছেন।

মাত্র আট মাস আগে দাম বাড়ানোর পর আবারও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি হলে উৎপাদন খাত ও ব্যবসায় এর বিরূপ প্রভাব পড়বে বলে জানাচ্ছেন শিল্প-কারখানার মালিকরা।

উল্লেখ্য, গত পাঁচ বছরে মোট ছয়বার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে বিদ্যুতের দাম যেখানে ছিলো দাম আড়াই টাকা প্রতি ইউনিট, সেটি এখন বাড়তে বাড়তে প্রায় ছয় টাকায় গিয়ে পৌছেছে।

দেশের চাহিদার মোট বিদ্যুতের ৭২ শতাংশ গ্যাস থেকে উৎপাদন হয়, আর ২০ শতাংশে ফার্নেস তেল থেকে। ২০০৯ সালের পর গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়নি এবং গত এক বছর ধরে ফার্নেস তেলের দাম ধীরে ধীরে কমছে। এমতাবস্থায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিলো সরকার।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন সূত্র জানিয়েছে, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিদ্যুতের পাইকারি দাম ২৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। সাধারণ গ্রাহকের ক্ষেত্রে ৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি (ডেসকো), ৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি), ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি (ওজোপাডিকো) এবং ৭ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি)।

প্রস্তাবগুলো বিবেচনায় নিলে সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে গড়ে প্রায় ৮ শতাংশ বাড়বে।

একই সঙ্গে গ্যাসের দাম বাড়ানোরও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গ্যাস বিতরণের ৬টি কোম্পানি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির একটি প্রস্তাব করেছে বলে জানা গেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বর্ধিত মূল্য কার্যকরের কথা বলা হয়েছে।

নতুন প্রস্তাবে আবাসিক এলাকায় ব্যবহৃত ডাবল চুলায় গ্যাসের মূল্য ৭৭ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৬৫০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। আর একটি চুলার ক্ষেত্রে ৮৩ শতাংশ বাড়িয়ে চার্জ হবে ৬০০ টাকা থেকে এক হাজার ১০০ টাকা।

বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত মিটারের ক্ষেত্রে মূল্য ১৪০ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ টাকা থেকে ১৬ টাকা ৮০ পয়সা করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া প্রস্তাবে অন্যান্য খাতে ব্যবহৃত গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির কথাও বলা হয়েছে।

এছাড়া সিএনজির দাম প্রতি ঘনমিটারে ৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৩৫ টাকা থেকে ৫৮ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

 
আপনি আরও পড়তে পারেন

র‍্যাব-পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৩

মিরপুরে এক পরিবারের চারজন অ্যাসিডদগ্ধ

আবারও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পান্তা- ইলিশ নিষিদ্ধ

sheikh mujib 2020