advertisement
আপনি দেখছেন

অর্থের সঙ্গে মানুষের জীবনযাত্রার মান যেমন সম্পৃক্ত, তেমনি সম্পৃক্ত তাদের গড় আয়ুও। এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গড় আয়ুতে উচ্চ আয়ের মানুষের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে আছে নিম্ন আয়ের মানুষরা। নিম্ন আয়ের পরিবারে জন্ম নেওয়া একটি শিশুর গড় আয়ু ৫৯ বছর, আর উচ্চ আয়ের পরিবারে জন্ম নেওয়া একটি শিশুর গড় আয়ু ৭৮ বছর। অর্থাৎ, দুই পরিবারে জন্ম নেওয়া মানুষের গড় আয়ুর পার্থক্য ১৯ বছর।

undp logo

রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শুক্রবার এসব তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থা (ইউএনডিপি)। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ওই অনুষ্ঠানে একটি বাংলা ফন্ট উদ্বোধন করে সংস্থাটি। এ সময় বাংলা ভাষার প্রতি সম্মান জানিয়ে ইউএনডিপি তাদের গত বছরের (২০১৯) মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনের সার-সংক্ষেপ প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিম্ন ও উচ্চ মানব উন্নয়ন সূচক দেশগুলোর মধ্যে এখনও গড় আয়ুর ফারাক রয়েছে। যা বছরের হিসাবে প্রায় ১৯ বছর। বর্তমান সময়ে মানুষের জীবনমানের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। ক্ষুধা, বুভুক্ষা, দরিদ্রতা ও ব্যাধি থেকে মুক্তি পেয়ে সারাবিশ্বের উল্লেখযোগ্য মানুষ এখন ন্যূনতম জীবনমানের উর্ধ্বে উঠতে পেরেছে। শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু তারপরও জীবন-মৃত্যু, জ্ঞান-সুযোগ এবং জীবন-পরিবর্তনীয় প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অসমতা থাকায় উচ্চ ও নিম্ন আয়ের মানুষের গড় আয়ুর বিশাল ফারাক রয়েছে।

প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, এ প্রতিবেদনে একটি তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য রয়েছে। তা হলো- জন্ম থেকেই উচ্চ ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে বৈষম্য শুরু হয়। নিম্ন আয়ের পরিবারে জন্ম নিলে শিশুর গড় আয়ু হবে ৫৯ বছর, আর উচ্চ আয়ের পরিবারে জন্ম নিলে তা বেড়ে দাঁড়াবে ৭৮ বছরে।

sheikh mujib 2020