advertisement
আপনি দেখছেন

যে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা, প্রতিবাদ, বিক্ষোভ, পদযাত্রা, বহুল আলোচিত সেই রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ চুক্তি সাক্ষরিত হচ্ছে চলতি মাসেই। এমনটিই জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিদ্যুৎসচিব এবং ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানির চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম।

rampal in

বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার এক বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত এক কর্মশালায় বিদ্যুৎসচিব এসব কথা বলেন। বিদ্যুৎ খাত মহাপরিকল্পনা নিয়ে কর্মশালাটি ছিল। গণমাধ্যমকে বিদ্যুৎ সচিব বলেন, খুব শীঘ্রই নির্মাণ চুক্তি সইয়ের দিন–তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

বিদ্যুৎ ভবনের কর্মশালায় বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। ২০৪১ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে জাইকার বিশেষজ্ঞরা বেশকিছু বিষয় এবং তাদের পরিকল্পনার কথা বলেন। উঠে আসে এই খাতে বাংলাদেশের নানা সম্ভাবনার কথা।

মনোয়ার ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের চলতি মেয়াদ শেষের আগে অর্থাৎ ২০১৯ সালের মধ্যে দেশের ৯৬ শতাংশ মানুষকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, এই মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে দেশের পরিবেশ, প্রাথমিক জ্বালানি ও বৈশ্বিক বাস্তবতা আলোচ্যসূচি এবং পরিকল্পনায় রাখতে হবে।

সুন্দরবনের নিকটবর্তী এলাকা রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন না করার দাবি জানিয়ে আসছে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষও রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমেও প্রতিবাদ চোখে পড়ার মতো। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য হলো এই বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হলে হমকির মুখে পড়বে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য।

 

আপনি আরো পড়তে পারেন

র‍্যাব-পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৩

গ্যাসের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

মিরপুরে এক পরিবারের চারজন অ্যাসিডদগ্ধ

sheikh mujib 2020