advertisement
আপনি দেখছেন

করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বাড়ছে মাস্কের দাম। এ নিয়ে আগেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু গতকাল রোববার বিকেলে যখন সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হলো যে, বাংলাদেশে তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তার পর থেকেই হু হু করতে বাড়তে থাকে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের দাম। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে অনেক জায়গায় এসব উপাদান না পাওয়ার অভিযোগ উঠে।

special drive in capital

এক পর্যায়ে জানা যায়, বেশি দাম আদায় করতে এসব পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। আর এই বিষয়টির দিকে খেয়াল রেখেছিল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

তারই ফলশ্রুতিতে আজ সোমবার রাজধানীর গুলশানে দুটি ফার্মেসি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির অপরাধে একটি ফার্মেসিকে জরিমানা করা হয়েছে।

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে আজ সোমবার বিকেলে গুলশানের আল নূর ফার্মেসি ও সাফাবি ফার্মেসিতে অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ হওয়ায় প্রতিষ্ঠান দুটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির অপরাধে আল মদিনা ফার্মেসিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, তারা অনৈতিকভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মাস্কের দাম বেশি নিয়েছে যা আইনত দণ্ডনীয়। এ কারণে দুটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।