advertisement
আপনি দেখছেন

একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদের সংখ্যা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে নড়াইলে দায়ের হওয়া মানহানির মামলায় বৃহস্পতিবার সকালে স্থায়ী জামিন পান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। কিন্তু বিকেলে সে জামিন প্রত্যাহার করা হয়েছে।

bnp khaleda

আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি এস এম মবিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদা জিয়াকে ওই মামলায় স্থায়ী জামিন দেন। পরে বিকেলে একই আদালত তার জামিন প্রত্যাহার করেন।

এর আগে জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করে খালেদা জিয়ার আইনজীবী গোলাম আকতার জাকির জানান, এ মামলায় আদালতে তারা খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন করেছিলেন। তাদের সে আবেদনের ওপর শুনানি শেষে কারাবন্দি বেগম জিয়ার স্থায়ী জামিন দেন আদালত।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন এ জে মোহাম্মদ আলী। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, এহসানুর রহমান প্রমুখ।

এর আগে এ মামলায় গত ৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন নড়াইলের জেলা ও দায়রা জজ।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের এক সমাবেশে স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ওই সমাবেশে মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা নিয়েও বিরূপ মন্তব্য করেন তিনি।

পরদিন গণমাধ্যমে ওই ঘটনার খবর পড়ে রায়হান ফারুকী ইমাম নামে নড়াইলের চাপাইল গ্রামের এক বাসিন্দা সংক্ষুব্ধ হয়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নড়াইল সদর আমলি আদালতে একটি মানহানির মামলা দায়ের করেন।