advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার মোকাবেলায় সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এ সময়ের মধ্যে কেউ যেনো জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের না হয় সে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এমন পরিস্থিতিতে বিভ্রান্তি এড়াতে রাজধানীতে কারা এবং কীভাবে চলাচল করা যাবে তা পরিষ্কার করেছে পুলিশ।

Dmp logoঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লোগো

শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম মাঠ পর্যায়ে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের কাছে পাঠানো এক বার্তায় এ বিষয়ে নির্দেশনা দেন।

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় গণমাধ্যমকে বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে রাজধানীতে খাবারের দোকান বা হোটেল খোলা রাখা যাবে কিনা এ নিয়ে ইতোমধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। কিন্তু এ শহরে অনেকেই আছেন, যাদের রান্না করে খাওয়ার সুযোগ নেই। তাই খাবারের দোকান খোলা রাখা যাবে।

তবে ক্রেতাদের খাবার কিনে বাসায় গিয়ে খাবারের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, কেউ যদি হোটেলে বসেই খেতে চান, তাহলে তাকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এছাড়া চলাচলের বিষয়ে আগে যেসব নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল তা বহাল থাকবে।

এ বিষয়ে পুলিশ সদস্যদেরকে দেওয়া নির্দেশনাগুলো হচ্ছে- খাবার দোকান বা হোটেল খোলা রাখার জন্য তাদের কর্মীদের স্বাধীনভাবে চলাফেরার সুযোগ দিতে হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির কর্মীদেরও কাজে যাওয়ার সুযোগ দিতে হবে। কেউ চাইলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যে কোন মাধ্যমে রাস্তায় চলাফেরা করতে পারবেন।

এছাড়া চিকিৎসক, নার্সসহ তাদের সহকারী, টেকনোলজিস্ট, সিটি কর্পোরেশনের কর্মী, নিরাপত্তা কর্মী ও জরুরি দায়িত্ব পালনে নিয়োজিতদের ব্যাপারে পুলিশ সদস্যদের বিশেষ যত্নশীল হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের সামাজিক দূরত্ব মেনে পেশাদারী আচরণ করতে বলা হয়েছে।