advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশের অনেক পোশাক কারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অধিকাংশ শ্রমিক ছুটি কাটাচ্ছেন। তারপরও এখনো বেশ কিছু সংখ্যক কারখানা খোলা রয়েছে। সেগুলোতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) তৈরির কাজে ব্যস্ত আছেন শ্রমিকরা।

ppe make workersবিনা পারিশ্রমিকে পিপিই বানাচ্ছেন পোশাক শ্রমিকরা

ঢাকার আশুলিয়ায় আজমত অ্যাপারেলস নামের একটি পোশাক কারখানায় অন্তত পাঁচ শতাধিক শ্রমিক ছুটিতে যাননি। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় যারা কাজ করছেন তাদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) তৈরি করছেন। ছুটিতে না গিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে ৫০ হাজার পিপিই তৈরি করছেন তারা। এর জন্য কোনো পারিশ্রমিক নিচ্ছেন না।

ইতোমধ্যে ৩০ হাজার পিপিই তৈরি করে সেগুলো বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে রাজধানীর যেসব হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসা হচ্ছে, সেখানে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পুলিশ প্রশাসন ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ppe make workers1বিনা পারিশ্রমিকে পিপিই বানাচ্ছেন পোশাক শ্রমিকরা

এ ব্যাপারে আজমত গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজমত রহমান বলেন, তিনি নিজেই বিনামূল্যে ৫০ হাজার পিপিই তৈরির উদ্যোগ নেন। করোনার কারণে কারখানা ছুটি ঘোষণা করলে পাঁচ হাজার শ্রমিক বাড়ি চলে যান। তারপরও এ কাজের জন্য ৫০০ শ্রমিক থেকে যান। পারিশ্রমিক দিতে চাইলে তারা নিতে রাজি হননি।

জানা যায়, গত ২৫ মার্চ থেকে পিপিই তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ৩০ হাজার বিতরণ করা হয়েছে। আজ বুধবার পর্যন্ত আরো ১২ হাজার পিপিই তৈরি শেষ। বাকি আট হাজারের কাজ শেষ হলে তারপর ছুটিতে যাবেন শ্রমিকরা।