advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাব উত্তরণে আর্থিক সহায়তার প্যাকেজ ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বাড়ানোসহ ৪টি কার্যক্রম নিয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

pm hasina video conference1প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

এই ৪টি কার্যক্রম ও কর্মপরিকল্পনা হচ্ছে-

১) সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি করা: সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে মূলত কর্মসৃজনকে প্রাধান্য দেয়া হবে। বিদেশ ভ্রমণ এবং বিলাসী ব্যয় নিরুৎসাহিত করা। ঋণের স্থিতি-জিডিপির অনুপাত অত্যন্ত কম (৩৪ শতাংশ) বিধায় সরকারি ব্যয় সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করবে না।

২) আর্থিক সহায়তার প্যাকেজ: ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্প মুনাফায় ঋণ সুবিধা দেয়া হবে। দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করা, শ্রমিক-কর্মচারীদের কাজে বহাল এবং উদ্যোক্তাদের মাঝে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অক্ষুন্ন রাখাই আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের মূল উদ্দেশ্য।

৩) সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি: দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনসাধারণ, দিনমজুর এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক কাজে নিয়োজিত মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বাড়ানো হবে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম হলো- বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি, নগদ অর্থ বিতরণ, বয়স্ক ভাতা এবং বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারীদের জন্য ভাতা, সর্বোচ্চ দারিদ্র্যপ্রবণ ১০০টি উপজেলায় শতভাগে উন্নীত করা এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গৃহহীন মানুষদের জন্য গৃহনির্মাণ কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়ন করা।

৪) মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি: অর্থনীতির বিরূপ প্রভাব উত্তরণে মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি করা। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে সিআরআর এবং রেপোর হার কমিয়ে মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। যা ভবিষ্যতেও প্রয়োজন অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে। এক্ষেত্রে লক্ষ্য থাকবে যেন মুদ্রা সরবরাহজনিত কারণে মুদ্রাস্ফীতি না ঘটে।