advertisement
আপনি দেখছেন

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ বাজারে এক ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, এমন খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত হন। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই বাড়ি লকডাউন করার ব্যবস্থা নেওয়ার সময় তার কাছে ফোন আসে চাঁদপুর জেলা সিভিল সার্জনের। ফোনে জানতে পারেন, তিনি নিজেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত! কোনো উপসর্গের কারণে নয়, এমনিতেই দুদিন আগে নমুনা পরীক্ষা করাতে দিয়েছিলেন ওই ইউএনও।

uno hajigonjচাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া

ঘটনাটি ঘটে আজ বুধবার দুপুর দুইটায়। নিজের আক্রান্তের খবর জানার সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে চলে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে নিজ বাসভবনেই কোয়ারেন্টাইনে চলে যান তিনি।

ইউএনও জানান, আমার শরীরে করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ নেই। তারপরও যেহেতু মাঠ পর্যায়ে সার্বক্ষণিক কাজ করতে হয়, তাই গত ২৭ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দিয়ে রেখেছিলাম। আজ রিপোর্ট আসার পর দেখা গেল, আমার কোভিড-১৯ পজিটিভ। জেলা প্রশাসনের নির্দেশক্রমে এখন থেকে ১৪ দিন আমি আইসোলেশনে থাকবো।

তিনি আরো বলেন, দুপুরে খবর পেলাম হাজীগঞ্জ বাজারে একজন করোনায় আক্রান্ত রোগী ঘোরাফেরা করছে। হাবিবুর রহমান (৩৮) নামের ওই ব্যক্তি ঢাকায় শাহজালাল ইসলামি ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত। গত ১৮ তারিখে তিনি ঢাকা থেকে গ্রামে আসেন। ওই ব্যক্তিকে আইসোলেশনে পাঠিয়ে বাড়িটি লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে।

sheikh mujib 2020