advertisement
আপনি দেখছেন

নামাজে দাঁড়ানোর ব্যাপারে তো বটেই, ইসলাম ধর্মেই ধনী-নির্ধনের কোনো রকমের ভেদাভেদ নেই। নামাজের ক্ষেত্রে মসজিদে যিনি আগে প্রবেশ করবেন তিনিই শুরুতে দাঁড়াবেন। কেউ যদি কাউকে সম্মান করে জায়গা ছেড়ে দেয় তাহলে ভিন্ন কথা। কিন্তু টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদে সামনের কাতারে না দাঁড়ানোর জন্য রীতিমতো নোটিশ টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে! এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

odd notice one

‘জরুরি নোটিশ’ শিরোনামে মসজিদের সামনেসহ আরো বিভিন্ন জায়গায় টাঙিয়ে দেওয়া কাগজে লেখা হয়েছে, ‘জামাত দাঁড়ানোর পূর্ব পর্যন্ত কেউ সামনের কাতারে দাঁড়াবেন না, কারণ ওই কাতার অফিসাররদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’ এমন নোটিসের পর স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

ওই মসজিদের ইমাম হাফেজ রেজাউল করিম বলেন, সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি মসজিদ কমিটির। আমাকে আদেশ করার কারণে আমি শুধু নোটিশটা লাগিয়ে দিয়েছি, এর বেশি কিছু নয়। এ ব্যাপারে আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন মসজিদ পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক।

odd noticeবাসাইল উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদ

ঘটনাটিকে ‘নজীরবিহীন’ আখ্যা দিয়ে টাঙ্গাইল জেলা কওমি ওলামা পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, এটা রীতিমতো ইসলামের অবমাননা। কারণ ইসলাম যা বলেছে তার সম্পূর্ণ উল্টোটা লিখে সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে মসজিদের সামনে। যিনিই এটা করে থাকেন না কেন, কাজ মোটেও ভালো হয়নি। আর যাই হোক, আল্লাহর ঘর মসজিদে মানুষের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকতে পারে না।

sheikh mujib 2020