advertisement
আপনি দেখছেন

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাসের টিকা (ভ্যাকসিন) আবিষ্কারের দাবি করেছে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড। পদে পদে যে সব প্রতিবন্ধকতা আসবে, সেগুলো সমাধান করতে পারলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই ভ্যাকসিন বাজারে আনা সম্ভব বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

dr asif mahmudড. আসিফ মাহমুদ

দেশের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ড. আসিফ মাহমুদ।

তিনি বলেন, এই ভ্যাকসিনটি আমাদের দেশে প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছে। ফলে এটা সবার জন্যই নতুন একটি অভিজ্ঞতা। এখানে পদে পদে প্রতিবন্ধকতা আসবে। সেগুলো যদি একে একে সমাধান করা যায়, তাহলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই করোনাভাইরাসের এই ভ্যাকসিন বাজারে আনতে পারবো বলে আশা করছি।

ড. আসিফ মাহমুদ বলেন, ভ্যাকসিনটি প্রাথমিকভাবে পাঁচটি খরগোশের ওপর ট্রায়াল করি। এক্ষেত্রে তিনটা ক্যান্ডিডেট তিনটি খরগোশের শরীরে প্রয়োগ করা হয়। বাকি একটা খরগোশ কন্ট্রোলড থাকে। অর্থাৎ সেটাতে কোনো ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়নি। অন্য খরগোশটির শরীরে প্লাসিবো প্রয়োগ করি। এক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের অ্যাক্টিভ ম্যাটারিয়াল ছিল না। শুধু ফর্মুলেশন বাফার দেয়া হয়।

কন্ট্রোলে রাখা খরগোশটির শরীরে কোনো কিছুই ইনজেক্ট করা হয়নি। আর প্লাসিবো দেয়া খরগোশটি নরমাল ছিল। এরপর ১৪তম দিনে গিয়ে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা তিনটি খরগোশের শরীর থেকে রক্ত সংগ্রহ করা হয়। সেখান থেকে সিরাম আলাদা করলে দেখা যায়, তিনটি খরগোশের শরীরেই যথেষ্ট পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

globe vaccine

মোট চারটি ক্যান্ডিডেট এবং তিনটি ডিফারেন্ট ডেলিভারি মেকানিজম নিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান ট্রায়ালে তিনটি টার্গেট। এর মধ্যে একটি ডেলিভারি মেকানিজম নিয়ে। যা আরো ব্যাপকভাবে অ্যানিমেলের ওপর ট্রায়াল করা হবে। এক্ষেত্রে আরো নয়টি ক্যান্ডিডেটের ট্রায়াল দেয়া হবে। যে ক্যান্ডিডেটের রেজাল্ট বেশি সুইটেবল হবে, সেটা নিয়েই হিউম্যান ট্রায়াল করা হবে।

নিজেদের এই ভ্যাকসিনের সফলতার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী জানিয়ে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান বলেন, এই ভ্যাকসিন তৈরির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- যেন বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ এটি পেতে পারে। এটি সাধারণ মানুষের কেনার সক্ষমতার মধ্যে দাম থাকবে।

তিনি বলেন, রেগুলেটেড অ্যানিমেল ট্রায়াল করতে আপাতত ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় নিচ্ছি। এরপরই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রটোকল বিএমআরসিতে জমা দেব। সেখান থেকে অনুমতি পেলে সিআরও দিয়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যাব।

sheikh mujib 2020