advertisement
আপনি দেখছেন

মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির একমাত্র পথ হলো কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর। এখান দিয়েই দেশ দুটির মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চলে। কিন্তু মিয়ানমারের মোংডু-আকিয়াব বন্দরে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার কারণে পণ্যের চালান আপাতত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

teknaf station

এ বিষয়ে মিয়ানমারের ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরের সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক বাহাদুর বলেন, রোববার থেকে মিয়ানমারের মোংডু-আকিয়াব বন্দর থেকে কোনো পণ্যবাহী ট্রলার আসবে না। তথ্যটি সে দেশের সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা নিশ্চিত করেছেন।

তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সেখানে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় সাময়িকভাবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে কত দিন এ নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকবে তা নিশ্চিত করা হয়নি।

টেকনাফ স্থলবন্দরের সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরেই মিয়ানমারের আকিয়াব থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে কোনো পণ্যবাহী ট্রলার আসছে না। শুধু শুক্রবার মোংডু থেকে একটি ট্রলার আসে। সামনে কোরবানির ঈদ। এমন সময়ে সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ থাকলে বাজারে মালামাল সংকট ও বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধির শঙ্কা রয়েছে।

টেকনাফ স্থলবন্দরের কর্মকর্তারা জানান, এটি স্থলবন্দর হলেও নদীপথ দিয়েই এ পথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য হয়। মূলত এটি আমদানি নির্ভর স্থলবন্দর। মিয়ানমার থেকে সাধারণত কাঠ, চাল, মাছ, শুঁটকি, আদা, হলুদ, আচার, তেঁতুল, চকলেট, মসলা, মৌসুমি ফল আমদানি করা হয়। আর বাংলাদেশ থেকে প্লাস্টিক পণ্য, তৈরি পোশাক, সিমেন্ট এবং ওষুধ রপ্তানি হয়।

sheikh mujib 2020